নেত্রকোণায় সপ্তাহব্যাপী লোকজ মেলা গেঁয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়–

 বীর মুক্তিযোদ্ধা মালিক খসরু পিপিএম

বাঁশরিয়া বাজাও বাঁশি দেখিনা তোমায়

গেঁয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়।।

এ শহরে এসেছো তুমি কবে কোন রাজ্য থেকে।।

তোমাদের দেশে বুঝি সব মানুষই বাঁশি শেখে

আমাদের স্কুল-কলেজে শেখে লোকে লেখা-পড়া।।

পরাণে গান নাই মিছে তাই-রবি ঠাকুর মুর্তি গড়া..

সুমনের এই গান শুনে কার না মন জুড়ায়? সুমন কবিরের কন্ঠে উঠে এসেছে শহর কলকাতা ও বিভিন্ন রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে বিরাজিত সংস্কৃতির দুই বৈপরিত্যের বাস্তবতার চিত্র। এর সাথে আমাদের বাংলাদেশের গ্রাম বা শহর সংস্কৃতির কি খুব একটা অমিল বা প্রভেদ খুঁজে পাওয়া যাবে? আমি এর নামকরণ করতে চাই, ‘দুই সংস্কৃতিঃ বাবুই ও চড়ুই সংস্কৃতির চিরায়ত লড়াই’। শত প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে বাবুই সংস্কৃতি যেমন টিকে আছে তেমনি সংস্কারবাদীদের বাড়াবাড়ির আগ্রাসন এমনকি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার আক্রমণ ব্যুহকে পায়ে দলে গ্রাম বাংলার জনগণের ঐক্য আবহমান বাংলার অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত করে শুধু টিকিয়ে রাখেনি বরং স্বকীয় মর্যাদায় উন্নত-শির করেছে।

মেলা সংস্কৃতি মাথা উঁচু করে বর্তমানের সাথে মেলবন্ধন রচনা করে স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। বোধ করি এটা কেবল হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতির অভিযাত্রা। একটি মহল বাঙালিত্বের এই অসাম্প্রদায়িক স্বকীয়তাকে ভয় পায় বলেই এই গ্রামীণ শক্তিকে আঘাত করতে সদা তৎপর। সামাজিক এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের সংঘবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবার অরাজনৈতিক মঞ্চ হিসাবে যুগযুগ ধরে দাঁড়িয়ে আছে আবহমান বাংলার ‘মেলা-মঞ্চ’। মত, পথ এবং চিন্তার ঐক্য সুদৃঢ় করে গ্রাম বাংলার সাংস্কৃতিক রূপ-বৈচিত্রকে দিয়েছে অনন্য উজ্জ্বল্য। দেশবাসীকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে গ্রাম বাংলার মেলা। গ্রামীণ মেলা হয়ে উঠেছে বাঙালি চেতনা বিকাশের অনন্ত, অনাবিল আনন্দের উৎস। কোন সন্দেহ নেই, বাঙালির ঐতিহ্যগত অসা¤প্রাদায়িক মনোভাবের বিশাল বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সারাদেশের মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। আইন-ই আকবরীতে উল্লেখিত হয়েছে, ‘এদেশে এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে মেলার ধুম পড়ে না’।

 জুলিয়াস সীজারের শাসনকালের বিজয় স্মরণীয় করে রাখতে যে উৎসবের আয়োজন করা হয় তা অনেকের মতে সারা বিশ্বে মেলার প্রারম্ভিক সূচনালগ্ন। সেই মেলার বিচিত্র প্রকাশ দেশ-বিদেশে μমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাচীনতম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অলিম্পিক গেমসও ছিল প্রাচীন গ্রীসের এক আনন্দময় মেলা। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তি নিকেতনে মেলার আয়োজন করেন ১২৩৬ বঙ্গাব্দের ১৮ পৌষ। যশোরের সাগর দাঁড়ির মধুমেলা, নড়াইলের সুলতান মেলা বিপুলভাবে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে ঢাকার উপকণ্ঠে ধামরাইয়ের রথের মেলা, নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্ধের মেলা, টাঙ্গাইলের নাগরপুর মেলা, ময়মনসিংহের তারনদিয়া মেলা, নেত্রকোণার শাহ সুলতানের মেলা, বগুড়ার মহাস্থানগড়, সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) ওরস উপলক্ষ্যে মেলা, যশোরের পাঁচ পীরের মেলা, চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্র লালদীঘী ময়দান ও তৎসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জব্বারের বলী-খেলা ঘিরে আয়োজিত মেলা ১৮০৯ সাল হতে মহাসমারোহে পালিত হয়ে আসছে। ঢাকার আজিমপুরে মুঘল আমল হতে চালু হওয়া মহরমের মেলা, রমনার বটমূলের বৈশাখী জাতীয় মেলার রূপ পরিগ্রহ করে বিশ্বব্যাপী বাঙালি সংস্কৃতির বিজয় পতাকা যখন উড্ডীন করেছে তখন মেলার অসাম্প্রদায়িক সার্বজনীনতাকে ‘ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ’ হতে ‘বাতেল, ধর্ম বিরোধী’ আখ্যা দিয়ে একটি গোষ্ঠী ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনার বটমূলে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ১০ জনকে হত্যা ও অনেককে আহত করে।

বাংলাদেশে মেলার সুদীর্ঘ তালিকার সাথে আগামি ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২ যুক্ত হতে চলেছে নেত্রকোণার ‘ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ ও লোকসাহিত্য গবেষণা একাডেমি’ আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী লোকজ মেলা। এই মেলায় জেলার সকল থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন শুধু নয় দেশের অন্যান্য জেলা এমনকি ভারত, অস্ট্রেলিয়া হতে প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ ইকবাল হাসান তপুর নিরলস প্রচেষ্টা এবং সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা মাননীয় বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও অন্যান্য সম্মানীত উপদেষ্টাবৃন্দ ও নিবেদিত প্রাণ মেলা উদযাপন কমিটির সকল সদস্যদের সম্মীলিত সার্বিক তত্বাবধানে মেলাটি এক অনন্য সাংস্কৃতিক আয়োজনে রূপ পরিগ্রহ করে যথাসময়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে চলেছে। মেলা আয়োজকদের উদ্দেশ্য গতানুগতিকতার সীমানা পেরিয়ে ব্যতীক্রমধর্মী সুদূর প্রসারী লক্ষ্যে পৌঁছে বাঙালি সংস্কৃতি-বৃক্ষের শেকড়ে জল সিঞ্চন করে সামগ্রীকভাবে-সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে সুসংহত এবং জোরদার করে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত মুক্তির পথে এগিয়ে চলা। এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে অতীতের পানে ফিরে তাকানোর আর্তি জানিয়ে ‘পাগলা ক্ষ্যাপা’ ব্যস্ত পথের ধারে দাঁড়িয়ে আনমনে ‘আড়-বাঁশী’ আবার কখনও একতারা বাঁজিয়ে নেচে নেচে গেয়ে চলেছে একের পর এক গ্রাম বাংলার পরিচিত বাউল লালন বা মেঠো গানের সুর। তাঁর কন্ঠে শোনা যায়, ‘লালন বলে ভোলা মন হয়ে রইলি অচেতন, মন মনরে দিন থাকিতে ধইরো পাড়ি গুরুকে কর কাÐারী গুরু বিনে বন্ধু কেহ নাই নাইরে’। একে একে গেয়ে চলে হাছন রাজার গান, ‘আমি না লইলাম আল্লাজির নাম’। না কইলাম তার কাম। বৃথা কাজে হাছন রাজায় দিন গুয়াইলাম। আরও গায়Ñ লোকে বলে বলে রে ঘর-বাড়ি ভালা না আমার কি ঘর বানাইম আমি শূণ্যেরও মাঝার’। রশিদ উদ্দিনের ‘মানুষ ধর, মানুষ ভজ’ অথবা-‘এই যে দুনিয়া কিসেরো লাগিয়া, এত যতনে বানাইয়াছেন সাঁই’। ক্ষ্যাপা গেয়ে চলে, জালাল খাঁর গান, ‘দিন গেলে দিন আর আসেনা’। ক্ষ্যাপার কন্ঠে শোনা যায় আক্ষেপের সুরের পাশাপাশি আশাবাদের সুরÑ ‘আবার জমবে মেলা বটতলা হাটখোলা/ অঘ্রাণে নবান্নের উৎসবে/ সোনার বাংলা ভরে উঠবে সোনায়/বিশ্ববাসী চেয়ে রবে’। আমরা আমার সোনার বাংলায় এমন দিনের প্রত্যাবর্তন চাই। নেত্রকোণার মেলা অতীতের কুজ্জটিকা দূর করে আনুক নব সূর্যোদয়। ক্ষ্যাপা আরও গাইছে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গান, ‘হবিগঞ্জের জালালী কইতর, সুনামগঞ্জের কুড়া, সুরমা নদীর গাংচিল আমি শূন্যে দিলাম উড়ারে ভাই যাইতে চান্দের চর’ ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর’। সে গায় বাউল আবদুল করিমের গান- ‘পিরিত করে সুখ হইলনা/যৌবন গেল বিফলে/দিনে দিনে বাড়ে ব্যথা/কলিজায় আগুন জ্বলে॥ আর গায়,

 ‘স্বাধীন দেশের মানুষ আমরা দুর্দশা কেন যায়না/জুলুম শোষণ বন্ধ হয়না হলো কী যন্ত্রণা”॥বা ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’। ফিরে আসি সুমনের গানের কথায়, ‘প্রাণে গান নাই’ অর্থাৎ যখন জীবন হয় বেসুরা তখন আমরা মেতে উঠি ‘আধুনিকতার মেকি’ আচরণে অর্থাৎ দাড় কাকের ময়ুরাভিনয়ে।

জীবনকে ‘শহুরে কায়দায়’ মেকি আবরণে সাজাতে আমরা যারপর নাই তৎপর/শশব্যস্ত হয়ে পড়েছি। দিন যতই যাচ্ছে একটি ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর ‘আরাম-আয়েশ আধুনিকতা’ স্ফীত হচ্ছে জ্যামিতিক হারে। অনেকে বাস্তবতা, জীবন-দর্শন বিসর্জন দিয়ে ‘সাদ্দাদের বেহেশত’ গড়ে তুলতে ব্যস্ত। এমন অবস্থার মাঝে আমরা কি শেকড় উপড়ে ফেলে বাঙালিত্ব, হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্য, ইতিহাস ভুলে বা বিসর্জন দিয়ে পরগাছা হয়ে ‘নতুনের’ হাতছানিতে ডুবে থাকব?

আমরা কি ভুলে যাব বাউল, মারফতি, ভাটিয়ালি, দেহতত্ত¡, কবিগান, জারিগান, মুর্শিদি, বারোমাসি, তত্ত¡ভিত্তিক ও তর্ক নির্ভর মালজোড়া গান? ভুলে যাব মরমীবাদের দিকপাল লালন, হাছন, উকিল মুন্সি, ভাটি বাংলার বাউল কুল শিরোমণি রশিদ উদ্দিন, জালাল উদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ তালুকদার, আবদুল করিম, জসীম উদ্দিন, আব্বাস উদ্দিন, বারী সিদ্দিকী, কুদ্দুস বয়াতি, আবদুল আলীম প্রমুখের নাম বা লোকসাহিত্যে তাঁদের আকাশ ছোঁয়া অবদানের কথা?

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মরমি সাধকদের আত্মোপলদ্ধিমূলক-মরমী গান ‘বাউল গান’ নামে সমধিক পরিচিত। আঠার শতক হতে বিশ শতকের প্রথমার্ধ সময়কালে পরাধীন উপমহাদেশে বিরাজিত পরিস্থিতিতে সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, সামাজিক, ধর্ম, দর্শন, গানের সাথে সুফিবাদ, দেহতত্ত¡ ভিত্তিক অসা¤প্রদায়িক চেতনাবিকাশ ও জাগরনে বাউলগানের জয়-জয়াকার লক্ষণীয় হয়ে উঠে। অতিঅল্প সময়ের মধ্যে দেশের সর্বধর্মের,সর্বশ্রেণির আপামর জনসাধারণ তাঁদের দর্শনকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করে মানব ধর্মের শাশ্বত বাণীর মর্যাদায় অভিসিক্ত করে। আজ একটি গোষ্ঠী ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির বাউল, লালনগীতি, হাছনের গান, দেহতত্ত¡ ইত্যাদির বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে লেগে ‘নতুন চেতনার’ উন্মেষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমাদের ভুললে চলবেনা, বাঙালিত্ব অন্ধত্ব নয়। বাঙালিত্ব চর্চার দ্বার উন্মুক্ত করতে লোকজ সংস্কৃতি শুধু সংরক্ষণ নয় নেত্রকোণার এই আয়োজনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির আন্দোলন জোরদার করে সোনার বাংলা গড়ার আন্দোলন সফল করে তুলতে এর নেই কোন বিকল্প।

উল্লেখ্য, ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্য সমূহের মাঝে বাউল গানকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করেছে। লক্ষণীয়, বাংলাদেশে ‘গ্রামীণ মেলা’ এখন ব্যবসায়িক বুদ্ধি তাড়িতদের হাতে পড়ে প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রূপ-বদল করে সাংস্কৃতিক অবয়ব ছিন্ন করে সম্পূর্ণ রূপে ব্যবসা নির্ভর হয়ে বাণিজ্য বিকাশের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য মেলা, শিল্প মেলা, ভ্রমণ মেলা, এপার্টমেন্ট বা জমি বিক্রয় মেলা, কম্পিউটার মেলা, আয়কর মেলা, ফার্ণিচার মেলা ইত্যাদি বাঙালির মূল মেলার রূপ-বৈচিত্রকে সাইড লাইনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে মেলার নতুন সংজ্ঞায় উদ্ধুদ্ধ করে চলেছে। এই সকল বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সাথে ‘আবহমান বাঙলার মেলা’ কথাটি জুড়ে না দিয়ে ভিন্ন কোনো বাণিজ্য-বর্ধক শব্দের ব্যবহার কাম্য।

অন্য দিকে বিস্ময়কর ভাবে নরওয়ে ভিত্তিক মুঠোফোনের আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-টেলনর বাংলার আদি-অকৃত্রিম ‘গ্রামীণ’ কথাটির সাথে যুক্ত করে নিয়েছে ‘গ্রামীণ ফোন’ নামটি। ‘গ্রামীণ’ কথাটি হয়ে উঠেছে ‘ব্যবসা-বর্ধক’ পরিচিতির মাধ্যম। ব্যাংক’ নামটিও তেমনি। সে দিন খুব দুরে নয় যখন নতুন প্রজন্ম গ্রাম বলতে বুঝবে শহুরে আধুনিক বাণিজ্যিক ব্যাংক বা ফোন কোম্পানীকে। প্রশ্ন জাগতেই পারে, গ্রাম কি এভাবে লোকান্তরিত হবে/অক্কা পাবে বা হারিয়ে যাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাঝে? গবেষকরা দিতে পারেন এর সদুত্তর। বস্তুত গ্রাম বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপর চতুর্মুখী/বহুমুখী ‘বাবুই-সংস্কৃতির’ চাপ ক্রমাগত ভাবে বেড়েই চলেছে এমন সময়ে গ্রাম-গঞ্জ, সারা দেশে বাঙালিত্বের মেলার বিকাশ সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে আয়োজন অত্যন্ত জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। মেলা হয়ে উঠুক বিনোদন, পরস্পারিক মিলন ও নৈকট্য বৃদ্ধির প্রধান অনুসঙ্গ। জয় হউক বাঙালিত্বের। জয় হউক নেত্রকোণার আবহমান মেলা সংস্কৃতির।

 লেখকঃ পুলিশের সাবেক এ আই জি, লেখক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক।

সভাপতি, বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদ।

 

 

Scroll to Top