বিংশ শতাব্দীর বাজারদর এবং জনজীবনে প্রভাব( ১৯০১–২০০০)

অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার

সমাজ পাল্টায়–জীবন বদলায়। এটি চিরন্তন। এর মাঝে লুকিয়ে থাকে কিংবা মিশে থাকে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খতিয়ান। সমাজ-প্রগতিকে বুঝতে হলে এই যে মানুষের জীবনের ওঠা-নামা তথা দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক প্রভাব, সেটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। স্পষ্টত এখানে আমি বাজারদর ও মানব জীবনে এর প্রভাব নিয়ে আলোকপাত করতে চাই। এজন্য ১৯০০ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত যথাসম্ভব বাজার দরের চালচিত্র তুলে ধরা হবে। মনে রাখতে হবে যে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ছিলো তখন কম এবং কৃষি ও গ্রামীণ জীবন ছিলো মুখ্য চালচিত্র।

যেহেতু নগরায়ন ছিলো সীমিত ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ছিলো কৃষি নির্ভর, তাই সাধারণ মানুষের জীবন ছিলো মোটামুটি ছকে বাঁধা। চাকরি-বাকরি ও ব্যবসার প্রয়োজনে যারা শহরবাসী ছিলেন, তাদের সংখ্যা একেবারেই সীমিত ছিলো এবং তারা শহরে থেকেও অনুরূপ শিল্পায়িত সমাজের প্রতিনিধি ছিলেন না। বলা যায় তারা বড় ধরনের বাজারে অবস্থান করতেন–যা গ্রামের হাট-বাজারের চালচিত্র থেকে কিছুটা স্বতন্ত্র ছিলো। তবে গ্রামের হাটবাজারের মূল্য ব্যবস্থার সঙ্গে শহরের জীবনে খুব একটা ব্যবধান ছিলো না।

মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে আমরা শায়েস্তা খাঁর আমলের সেই কিংবদন্তীর কথাটা স্মরণ করতে চাই। বলা হয় তখন টাকায় আট মন চাল পাওয়া যেতো। এখানে শায়েস্তা খাঁর আমলের বাজারদরের একটা চিত্র তুলে ধরা যায়। ১ টাকায় তখন ২৮ মন ধান ও ৩টি গরুও ১ টাকায় কেনা যেতো। পঞ্চাশ পয়সায় তখন ১৪ সের চিনি, ৪ পয়সায় ৮টি মুরগী, একই দামে ১৫টি কবুতর এবং ২ টাকায় ১৪ গজ সুতির কাপড় কেনা যেতো! এ চিত্র স্মরণ করলাম শুধু বাংলার অতীত জীবনের একটা সোনালী অধ্যায় তুলে ধরার জন্য। পরবর্তি আলোচনার জন্য আরো একটি বিষয় এখানে বলে নেওয়া ভালো যে, তখনকার হিসাবে টাকা ও আনার পাশাপাশি পাই ছিলো। পয়সা ও পাইয়ে তখন প্রভেদ ছিলো। টাকা অর্জন করা একটি কঠিনতর কাজ ছিলো তখন।

বিংশ শতাব্দীর বাজারদর ও জনজীবনে প্রভাব আলোচনায় সংগত কারণে বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ, ২টি বিশ্বযুদ্ধ, মহামারি, সাতচল্লিশের দেশবিভাগ এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণে রাখবো। কেননা এর প্রতিটি ধাপে বাজারদরের যেমন ওঠা-নামা হয়েছে, তেমনি প্রভাবিত হয়েছে মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক জীবন। নিম্নে ৩টি প্রধান ভাগে আলোচনাটি অগ্রসর করতে চাই।

১| ১৯০০ থেকে ১৯৩০ সালের বাজারচিত্র: এ পর্বে বাজারদর ছিলো অবিশ্বাস্য রকমের কম। অবশ্য তখন মানুষের আয় একান্তই সীমিত ছিলো। কৃষি ছিলো প্রধান উপজীবিকা। সমাজ ছিলো গ্রাম প্রধান। পরিসংখ্যান বলে যে, ১৯০০ সালে ১ সের চালের দাম ছিলো ১ আনা ৯ পাই। ১ সের তেলের দাম ছিলো ৫ আনা ৬ পাই। ১ সের দুধের দাম ছিলো ১ আনা ৩ পাই। ১ সের লবণের দাম ছিলো মাত্র ৮ পাই। মসুরের ডাল ১ সেরের দাম ছিলো ৩ আনা ২ পাই। ১ সের রুই মাছ পাওয়া যেতো ২ আনা ৯ পাই দিয়ে। তখনকার প্রিয় জিনিস ছিলো গুড়। ১ সের গুড়ের দাম ছিলো ৪ আনা ৫ পাই। আর তখন ১ মন পাটের দাম ছিলো ৬ টাকা ১২ আনা। কৃষকেরা পাট উৎপাদন করে সুখি সংসার জীবনের ছক কষতেন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হলো। ফলে সমাজ জীবনেও একটা দ্বিভাজনের রূপরেখা অলক্ষ্যে প্রতিভাত হলো। এ সময়ে ১ সের চালের দাম হয় ৫ আনা। পাঁচ বছরে ৪ আনা বেড়ে গেলো। ১ সের আটার দাম ছিলো ৪ আনা ৮ পয়সা। মসুরের ডাল ১ সেরের দাম ছিলো ৭ আনা। গুড় ১ সের ৪ আনা, ১ সের তেল ১০ আনা, ১ সের লবণ ১ আনা, ১ সের চিনি ৬ আনা, ১ সের আটা ৪ আনা ৮ পাই, কেরোসিন ১ সের ৬ আনা, ১ গজ সুতি কাপড় ৭ আনায় পাওয়া যেতো।

মানুষ আসলে মানিয়ে নেয়, মানিয়ে নিতে হয়। এটা বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষের বৈশিষ্ট্য। দিনে দিনে বেড়ে চলে বাজারদর। অথচ আয় উপার্জনে খুব একটা পার্থক্য সৃষ্টি হয়নি। অর্থনীতিবিদেরা ১৯০০ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত সময়কে স্থিতিশীল পর্ব বলে থাকেন। মোটামুটি স্থিতিশীল অবশ্য বলা যায়।

১৯৩০ সালে ১ সের চালের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ আনাতে। ১ সের গম ১ আনা ৪ পয়সা, ১ সের ডাল ২ আনা ৬ পয়সা, চিনি ১ সের ২ আনা, ১ সের গুড় ১ আনা, ১ সের তেল ৩ আনা, দুধ ১ সের ১ আনা ৪ পয়সা, লবণ ১ সের ৮ পয়সা, কেরোসিন সেরপ্রতি ৯ পয়সা, ডিম ১ হালি ৮ পয়সা এবং ১ সের রুই মাছের দাম ছিলো ২ আনা ৮ পয়সা মাত্র।

পাঠক সমাজ লক্ষ্য করেছেন যে, এ পর্বে পাই আর নেই। বাজারমূল্যে এখন থেকে টাকা আর পয়সার হিসাব চালু হয়ে পড়েছে। যাই হোক, ১৯০০ সালে ১ সের চালের দাম যেখানে ছিলো ১ আনা ৯ পাই, সেখানে ১৯৩০ সালে ১ সেরে চালের দাম হয় ২ আনা। ৩০ বছরে খুব একটা পার্থক্য হয়নি। এমনি ভাবে বাজারে সকল জিনিস ও পণ্যের দামে একটা ভারসাম্য ছিলো। এ জন্যই এই সময়কালকে মোটামুটি স্থিতিশীল বলা হয়েছে। জনগণ মোটামুটি স্বস্তিতেই ছিলেন।

স্মরণ রাখতে হবে যে, এই সময়কালে প্রথম মহাযুদ্ধ ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে। বিশ্ব রাজনীতিতে প্রকট হচ্ছে পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই দুই ধরণের বাজার ও মূল্যব্যবস্থায় বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। পুঁজিবাদে গণতন্ত্র থাকলেও চরম ব্যক্তিস্বাতন্ত্র ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ধনী আরো ধনী হতে দেখা যায়। ত্রিশের বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার পর থেকে বিশ্ব বাজার ব্যবস্থার পাশাপাশি আমাদের এই বাংলাতেও বাজারদর বাড়তে থাকে। এবং ১৯৪০ সালে আগের তুলনায় ব্যাপক পার্থক্য সৃষ্টি হয়। অথচ সমাজ জীবনের চিত্রটা আগের মতই থাকে।

২| ১৯৪০ থেকে ১৯৭০সাল: এ তিনটি দশকে দ্রব্যমূল্যে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। যদিও আমাদের সমাজ কৃষিপ্রধানই থেকে যায়। এ সময়ে ৪৭এর দেশ ভাগ ও পাকিস্তান সৃষ্টি, ১৯৫২ থেকে ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের আন্দোলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ সময়ে বাঙালির জীবনব্যবস্থায় শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিকাশ ঘটে। শহর হয়ে ওঠে শিক্ষা-দীক্ষা, চাকুরি-ব্যবসা এবং রাজনৈতিক আন্দোলন- সংগ্রামের কেন্দ্র। গ্রাম এবং শহর জীবনে ব্যাপক পার্থক্য সৃষ্টি হয়।গ্রামের মানুষ ভাবতে শিখে যে, শহর হচ্ছে সুখি মানুষের আবাসস্থল। গ্রামের মানুষ তখনো সেই ত্রিশের দশকের মতো থেকে যায়, অথচ শহর চায় ব্যক্তিস্বাতন্র ও পুঁজি। চালচলন, কথাবার্তা, রুটি-রুজি, মন-মানসিকতা পুরো দেশকে মোটাদাগে দুটি ভাগে বিভক্ত করে ফেলে। পাকিস্তানী শাষণ-শোষণের মাঝেও শহরে একটু স্বাচ্ছল্য দেখা দেয়। দলীয় রাজনীতি শহরেই দানা বেঁধে ওঠে এবং ধীরে তার ঢেউ গ্রামে পৌঁছায়।

১৯৪০ সালে এক লাফে চালের দাম মণপ্রতি ৫ টাকা ৮ আনাতে পৌঁছে। অর্থাৎ একসের চালের দাম হয় ৮০ পয়সা–যা ১৯৩০ সালে ছিলো মাত্র ২ আনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ একটি বড় কারণ বটে। বিশ্বজুড়ে শতবর্ষের উপনিবেশবাদ ভেঙ্গে পড়ছিলো এবং প্রকট হচ্ছিলো মার্কিন বনাম সোভিয়েত দ্বন্দ্ব। স্নায়ুযুদ্ধের কবলে বিশ্বের রাজনীতি ও অর্থনীতি কবলিত হতে থাকে। পণ্যের দাম বাড়ে হুহু করে। নাভিশ্বাস উঠে সাধারণ ক্রেতার। ব্যবস্থাটা তখন এমন যে, গরীর আরো গরীব এবং ধনী আরো ধনী হতে থাকে। কেননা শহরের তুলনায় গ্রামে ইনকাম জেনারেটিং এক্টিভিটিস তখনো সম্প্রাসারিত হয়নি। ফলে গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র্যতা যায় বেড়ে।

১৯৪০ সালে ১ সের আটার দাম ২ আনা, মুসুর ডাল ১ সের ২ আনা, ১ সের তেল ১০ আনা, চিনি ১ সের ৬ আনা, দুধ ১ সের ৬ আনা, মাছ ১ সের ৮ আনা, মাংস ১ সের ১০ আনা, সাবান ১পিস ১ আনাতে পাওয়া যেতো।

১৯৪৭সালে দেশ বিভাগের পর বাজারদর ১৯৪০ সালের তুলনায় এক লাফে দ্বিগুণ হয়ে পড়ে। ১ মণ চালের দাম হয় ১০ টাকা, ১ কেজি মসুরের ডাল ছিলো ৬০ পয়সা, ১ কেজি ভোজ্য তেল ছিলো ১ টাকা, মাংস ১ কেজি ৪ টাকা, ১ কেজি রুইমাছ ১ টাকা ৮ আনা, ১ হালি ডিমের দাম হয় ২০ পয়সা।

১৯৪০ ও ১৯৪৭-এর পর ১৯৬০ সালে বাজারদরে গরীবদের হিসেবটা পয়সাতেই থেকে যায়। টাকার হিসেবটা ধীরে ধীরে ধনীদের পকেটে ওঠে। ১৯৭১ সালে ১ কেজি চালের দাম ছিলো ৫০ থেকে ৮০ পয়সা। অর্থাৎ বাজার দরে স্থিতিশীলতা নেই। ১ কেজি ডালের দাম ছিলো ২টাকা ৮০ পয়সা, লবণ ১ কেজি ৬৫ পয়সা, চিনির কেজি ২টাকা ৫০ পয়সা, তেল ১ কেজি ৩ টাকা ২৫ পয়সা, আটা ১ কেজি ১ টাকা ৮৫ পয়সা, পেঁয়াজ ১ কেজি ৯০ পয়সা, রসুন ১ কেজি ১ টাকা ২০ পয়সা, হলুদ ১ কেজি ২ টাকা, কাঁচামরিচ ১ কেজি ৩ টাকা ২০ পয়সা, কেরোসিন ১ লিটার ১ টাকা ২০ পয়সা, ইলিশ মাছ ১ কেজি ৪ টাকা, মাংস ১ কেজি ৫ টাকা ছিলো।

৩| ১৯৭১–২০০০সাল: এ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি।স্বাধীন সার্বভৌম দেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিতে গভীর সমস্যায় পতিত হয়। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলো পুঁজিবাদী আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। ফলে সহজে বাজারদর স্থিতিশীল রাখা সম্ভব ছিলো না। তাছাড়া সমাজে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ মেতে উঠেছিলো কালোবাজারি আর মজুতদারীতে। এমন অবস্থা ইতোপূর্বে আর দেখা যায়নি। ব্যবসায়িক নৈতিকতা একেবারেই ভেঙ্গে পড়ে। বেড়ে যায় জন দুর্ভোগ। লাফ দিয়ে বাড়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। সেই সাথে ১৯৭৪ সারে প্রলয়ংকরী বন্যায় ব্যাপক শস্যহানি ঘটে। খাদ্যঘাটতি পূরণ করা অসম্ভব হয়ে ওঠে। ফলে চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। লঙ্গরখানা খুলেও শেষরক্ষা হয়নি। মানুষের কর্ম ছিলো না। পুঁজি ছিলো না। সম্পদ ছিলো না। কিন্তু অভাব ছিলো প্রতিদিন।

দ্রব্যমূল্য ক্রমান্বয়ে উর্ধগতি ও লাগামহীন হয়। এ পর্বে ব্যবসাক্ষেত্রে সিন্ডিকেট ও চাঁদা নামক দুটি বিষয় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ১৯৭৪ সালে হঠাৎ চালের দাম বেড়ে যায়। সাথে নিত্যপণ্যের দামও। ৮০র দশকে চালের কেজি ৮ থেকে ১০ টাকা হয়। এখন আর পয়সার যুগ নেই। নব্বই দশকে চালের কেজি ১৫ থেকে ২২ টাকা হতে দেখা যায়। এই সময়ে আগের এনালগের পরিবর্তে ডিজিটাল যুগ প্রবর্তিত হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন প্রসারিত হয়। মানুষ ক্রমে শহরমুখি হয়। গার্মেন্টস শিল্পের দ্রুত প্রসার ঘটে। পল্লীবিদ্যুতের সম্প্রসারণ হয়। মান্ধাতা আমলের কৃষির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক কৃষির সূত্রপাত ঘটে। তবে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামে ইনকাম জেনারেটিং এক্টিভিটিস বৃদ্ধি পায়। ফলে গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের ক্রয়ক্ষমতায় কিছুটা হলেও গতিশীলতা আসে। কিন্তু সমাজে দুর্নীতির মাত্রা বৃদ্ধি পায় । সবকিছুতে ভেজাল শব্দটি যোগ হয়ে পড়ে। তারপরেও আশ্চর্যজনক ভাবে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পায়।

মানুষের জীবনে ঘরে বসে বিনোদনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। লোক-ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি অনেকটাই ধামাচাপা পড়ে যায়। রেডিও, টিভি, স্যাটেলাইটের কল্যাণে ডিসটিভির ব্যবহার ও মোবাইল ফোন সমাজ জীবনের চিত্র হয়ে দাঁড়ায়।

১৯৯৯-২০০০ সালে ১ কেজি চালের দাম হয় ১৩ টাকা। ডাল ১ কেজি ১৮ টাকা, আলু ১ কেজি ৮ টাকা, পেঁয়াজ ১ কেজি ৬ টাকা, কাতল মাছ ১ কেজি ৩৫ টাকা, লবণ ১ কেজি ৬ টাকা এবং মাংসের কেজি হয় ১০০টাকা।

এ ভাবেই একটি শতাব্দীর অন্তিম ঘন্টা বেজে ওঠে। মানুষ এখন আগের চেয়ে বড়বেশি যান্ত্রিক হয়ে ওঠেছে। বাজারদরে যত চাপই থাকুক, মানুষ এক অলৌকিক অভিযোজন ক্ষমতার অধিকারি হতে দেখা যায়। অত:পর একবিংশ শতাব্দী আসে নতুন যুগের বার্তা লয়ে। এ যুগ শিল্পের যুগ, এ যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এ যুগের কথা একান্তই স্বতন্ত্র।

২৫|৯|২০২৬, আর্যগৃহ, নেত্রকোণা।

অধ্যাপক ননী গোপাল সরকারের প্রবন্ধসমূহ:

বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত কথা সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকদাদ চৌধুরী

বাউল কবি রশিদ উদ্দিন: বাউলদের বাউল

নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস

মুক্তিযুদ্ধে মধ্যনগর

লোক-সাহিত্য ও সংস্কৃতি  লোককবি নগেন সরকার 

একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক ভাষা সৈনিক  সানাউল্লাহ নূরী

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নেত্রকোনা

বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম খান (এন আই খান)

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মো. ফজলুর রহমান খান

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম ফজলুল কাদের

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাছ আলী খান

অগ্নিযুগের সূর্য সৈনিকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মেহের আলী

স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানী শহীদ মেহের আলী 

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ: বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন সরকার

তথ্যসূত্রঃ

  1.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫),” ভাষা সৈনিক জনাব সানাউল্লাহ নূরী”, বিজয় একাত্তর ১১তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৯
  2.  Nuri, Sanaullah (25 June 1994). “Memorial discussion on Bir Muktijudha Meher Ali in Netrakona”. The daily Dinkal. p. 6.
  3.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৩ ডিসেম্বর ২০২২),” স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানী শহীদ মেহের আলী”, বিজয় একাত্তর ষষ্ঠ সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৩-৩৮
  4.  মোতালিব ,ভাষা সৈনিক শাহ আব্দল (ফেব্রয়ারী ২০০৮),”নেত্রকোনায় মহান ভাষা আন্দোলন”,ভাষা সংগ্রামে নেত্রকোনা স্মারক গ্রন্থ , পৃষ্ঠা ২৬-২৯
  5.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(সেপ্টেম্বর ২০২২). “নেত্রকোণার রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ মরহুম জননেতা আব্দুল খালেক এমপি”, বিজয় একাত্তর ষষ্ঠ সংখ্যা পৃষ্ঠা 01-06
  6.  আচার্য, সাংবাদিক জয়ন্ত,( ১৪ ডিসেম্বর ২০২১),মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধীজীবিবৃন্দ” সাপ্তাহিক-২০০০ পৃষ্ঠা ২০-২৪
  7.  আহমদ, ভাষা সৈনিক আজিম উদ্দীন (২০২২)। অসমাপ্ত গল্প। ঢাকা: অনির্বান পাবলিকেসন্স। পৃ. ২, ১২।
  8.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে মধ্যনগর”, বিজয় একাত্তর ১১তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১-১২
  9.  চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান ( ১৪ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণা”, আলোরপথে ৫তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৫-২০
  10.  বিশ্বাস ,সাংবাদিক কুন্তল (ফেব্রয়ারী ২০০৮),”নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলন”,ভাষা সংগ্রামে নেত্রকোনা স্মারক গ্রন্থ , পৃষ্ঠা ২০-২২
  11.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (03rd Jan 2026)”নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস“

See less

 

Scroll to Top