কলকাতায় কবি নজরুলের বীরোচিত সংবর্ধনা ও খালেকদাদ চৌধুরী
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
বাংলাদেশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, তাঁকে নিয়ে আমাদের গর্ব ও গৌরবের অন্ত নেই। তিনি বাঙালির বিদ্রোহের চেতনা শানিত করেছেন। আমাদের অনুভব শক্তিকে ধারালো করেছেন। বাঙ্গালির মনের প্রসারতা ঘঠিয়েছেন। বাঙ্গালির দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তৃত করতে শিখিয়েছেন। তাঁর কবিতা ও গান আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণা যুগিয়েছে। আমরা আমাদের যৌবনের সোনালী দিনগুলো স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে বিলিয়ে দিতে পেরেছিলাম, তাঁর গান ও কবিতার উদ্ধিপ্ত প্রেরণায়। জাতির যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় কবির কবিতা প্রেরণা যুগিয়েছে। স্বাধীনতা কেবল রাজনৈতিক মুক্তি নয়। দারিদ্র্য মুক্তি, সামাজিক মুক্তি, অজ্ঞতা থেকে মুক্তি ও শোষণ মুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছেন। উপনিবেশিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে কলম চালিয়েছেন, স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে জাতিকে জাগরিত করেছেন। কবি নজরুল ছিলেন স্বাধীনতার কবি, সাম্যের কবি, প্রেম ও দ্রোহের কবি।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে অনেক গল্পকথা আমি আমার পিতা প্রয়াত কথা সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরীর কাছ থেকে শুনেছি এবং পাঠ্যপুস্তকেও পড়েছি। কথা সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী তাঁর ছাত্র জীবন ও কর্ম জীবন শুরু করেছিলেন বিভাগপূর্ব কোলকাতায়। সেখানে তিনি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন এবং তার সান্নিধ্যে থেকে কাজ করেছেন। বিশেষ করে কোলকাতার বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় তিনি সাংবাদিকতা করেছেন। বিভাগপূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও কবি নজরুলের সম্পাদনায় প্রকাশিত দৈনিক নবযুগ পত্রিকায় কাজ করেছেন।
সেই সুবাদে খালেকদাদ চৌধুরী কবি নজরুলকে দেখেছেন এবং তাঁর সংগে কাজ করার সুযোগ হয়েছিলো।কবি নজরুলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা কোলকাতায় তরুণ প্রগতিশীল মুসলিম কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে বাংলা সাহিত্যের যে রেঁনেসা যুগ সৃষ্টি হয়েছিলো সেই সময়ে খালেকদাদ চৌধুরী একজন উদীয়মান সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসাবে বিভাগপূর্ব কলিকাতার রাজনীতি, সংস্কৃতি, সাহিত্যে নিজে জড়িত থেকে কোলকাতায় বিভিন্ন সাময়িকীতে লেখা দিয়েছেন। তৎকালীণ সময়ে কোলকাতা এবং ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ বুদ্ধিমুক্তির যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন তা তৎকালীণ বাংলার মুসলিম ছাত্র সমাজকে আন্দোলিত করেছিলো। কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের মূল প্রেরণাদাতা। তারা শত শত বৎসরের কুসংস্কার এবং নানা অন্ধ বিশ্বাস হতে মুক্ত হতে চেয়েছিলেন। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মুক্তির ফোয়ারা খুলে দিয়েছিলেন।
সেই ফুয়ারার জলে অবগাহন করে কুসংস্কার এবং অন্ধ বিশ্বাসের ক্লেদ হতে মুক্ত হচ্ছিল তরুণ শিক্ষিত মুসলিম। যার যেখানে যতটুকু শক্তি তাই নিয়ে তরুণে মুসলিম কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক কলম ধরে ছিলেন। ওদেরই একজন ছিলেন খালেকদাদ চৌধুরী। ঐ সব মুসলিম কবি সাহিত্যিকগণ কবি কাজী নজরুলকে প্রধান সম্পাদক করে পরিশীলন সমিতি গঠন করে কবি কাজী নজরুলকে জাতির পক্ষ থেকে কোলকাতার এলবার্ট হলে এক বিরোচিত সংবর্ধনা দিয়েছিলেন। সে সংবর্ধনা নিয়ে খালেকদাদ চৌধুরী তার জীবনী গ্রন্থ ‘শতাব্দির দুই দিগন্ত’ গ্রন্থে একটি সুন্দর ও চমৎকার রেখাচিত্র অংকন করেছেন।
পাঠকের জানার জন্য এখানে তা উদ্ধৃত করা হলো। খালেকদাদ চৌধুরীর ভাষায় ‘১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রবিবার জাতির পক্ষে কবি কাজী নজরুল ইসালামকে এক সংবর্ধনা জানানোর আয়োজন করা হয়। কবি তখন সারাদেশে অনন্যসাধারণ কবি প্রতিভার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রচলিত গতানুগতিক ধারাকে ভেঙ্গে এক নতুন প্রাণপ্রাচুর্য ও অভিনবত্বের এক নতুন সুর সংযোজন করে জাতির প্রাণে এক অভূতপূর্ব স্পন্দন ও জাগরণের প্রেরণা সঞ্চার করলেন।
বাংলার মানুষ বিশেষ করে তরুণ সমাজে নতুনের প্রতি জাগরণের প্রেরণা জাগিয়ে তোলে। শুরু হয় নতুন ও তরুণের জয়যাত্রা। আত্নকেন্দ্রিক ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র তার সুখ্যাতি বরদাস্ত করতে পারেনি। মুসলিম প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী তাকে ধর্মদ্রোহী কাফের বলে আখ্যায়িত করে তার বিরুদ্ধে এক জঘণ্য প্রচার অভিযানে মেতে উঠে।
অন্য দিকে হিন্দু কবি সাহিত্যিকদের অনেকেই তাঁর এই সুখ্যাতিতে ঈর্ষাপরায়ন হয়ে উঠে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারনা শুরু করে দেয়। মুসলিম মুক্তবুদ্ধি ও চিন্তাবিদ সাহিত্যিক ও তরুণরা এর প্রতিকার বিধানের কথা চিন্তা করতে শুরু করেন। তখনকার সময় “সওগাত’ কে কেন্দ্র করে প্রগতিশীল মুসলিম কবি সাহিত্যিক তরুণরা এর প্রতিকার উদ্ভাবনের কথা আলোচনা করেন। শেষে একদিন স্থির হয় কবিকে জাতির পক্ষ থেকে এক বিরাট সংবর্ধনার আয়োজন করার এবং অবিলম্বে তার ব্যবস্থা করার। সেদিন থেকেই তারা আয়োজনে লেগে যান। কিছুদিনের মধ্যে ১৯২৯ সালে অক্টোবর মাসে কোলকাতার মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে এক সাধারণ সভা ডাকা হয়। প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এতে ভিষণভাবে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
সাধারণ সভার দিন নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই ওরা কিছু সংখ্যক লোক নিয়ে মুসলিম ইনস্টিটিউট হলের প্রায় সকল আসন দখল করে নেয়। যাতে সভার উদ্যোক্তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। কিন্তু ঠিক সময়ে উদ্যোক্তারা সদলবলে সেখানে উপস্থিত হয়। তাদের চেষ্টায় প্রতিক্রিয়ালীলদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং ওরা সেখান থেকে বিতাড়িত হয়। উদ্যোক্তাদের প্রকৃত ব্যাপার প্রকাশ করে তাদের যুক্তিপূর্ণ আবেদনে উপস্থিত সবাই আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারে। এবং বিপুল সংখ্যাক মানুষ আহবানকারীদের সমর্থন জানায়। প্রতিক্রিয়াশীলদের ষড়যন্ত্র নস্যাত হয়ে যায়।
কবিকে সংবর্ধনা জানানোর প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। মি. এস ওয়াজেদ আলী বার-এট-ল কে সভাপতি করে এক শক্তিশালী অভ্যর্থনা ও প্রস্তুতি কমিটি হয় এবং দিন তারিখ সময় ও স্থান নির্ধারিত হয়। সংবর্ধনার মূল সভাপতি নির্বাচিত হন বিজ্ঞানাচার্য ড. প্রফুল্ল চন্দ্র
রায় এবং সম্পাদক নির্বাচিত হন কল্লোল পত্রিকার দীনেশ দাশ ও সওগাত সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন। বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় সংবর্ধনার উদ্যোগ আয়োজন শুরু হয়ে যায়। অবশ্যই প্রতিক্রিয়াশীল চক্র নিশ্চুপ থাকেনি। তারা সংবর্ধনাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও চেষ্ঠায় মেতে উঠে। ষড়যন্ত্রকারীরা সংবর্ধনা সভায় মারামারি গোলমাল হবে প্রচার করতে থাকে। কিন্তু তাদের সকল চেষ্টাই ব্যর্থ করে নির্দ্দিষ্ট দিনে নির্দ্দিষ্ট সময়ে কোলকাতার এলবার্ট হল শ্রোতা ও দর্শকে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। হলে তিল ধারনের স্থান ছিলোনা।
কোলকাতার বাহিরে দূরদূরান্ত থেকেও বহু উৎসাহী কবি সাহিত্যিক ও উৎসাহী তরুণ উপস্থিত হন। হলে স্থান না পেয়ে বহু লোক সিড়ি ও রাস্তায় হলের বাহিরে দাঁড়িয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। নির্দ্দিষ্ট দিনে নির্ধারিত সময়ে বিচিত্র সাজে সজ্জিত মোটরে করে ‘সওগাত’ অফিস থেকে এলবার্ট হলে কবিকে নিয়ে আসা হয়। অপেক্ষামান বিপুল জনতা আনন্দধ্বনি দ্বারা কবিকে প্রাণঢালা অভ্যর্থনা জানায়। কবির বিখ্যাত গান “চল চল চল উর্ধ্ব গগণে বাজে মাদল” দিয়ে সভার কাজ আরম্ভ হয়। তার পরেই মূল সভাপতি আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এক মনোজ্ঞ ভাষণ দেন এবং কবিকে অভিনন্দন জানান।
তার ভাষণের পরেই কবি কাজী নজরুলকে দেয়া অভিনন্দন পত্র পাঠ করেন। শ্রোতা দর্শক মন্ডলীর প্রাণ মাতানো ও হল কাঁপানো হর্ষধ্বনি ও করতালির মধ্যে আচার্য রায় রূপার কাসকেটে ভর্তি অভিনন্দনপত্র, একটি স্বর্ণ নির্মিত দোয়াত-কলম কবির হাতে তোলে দেন। অভিনন্দনের উত্তর দিতে দাড়াঁনো মাত্রই হর্ষোল্লাসিত জনতার দীর্ঘস্থায়ী আনন্দধ্বনি হলটি বেশ কিছুক্ষণ মুখরিত রাখে।
কবি তার স্বভাবসুলভ গম্ভীর কন্ঠে অভিনন্দনের জওয়াব দেন প্রাণ মাতানো ভাষায়। কবির জওয়াব প্রদানের পর কয়েকটি গান হয়। এরপর জননেতা সুভাষ চন্দ্র বসু তার ভাষণ দেন। তার সেদিনের বক্তৃতার উক্তি ভবিষ্যতবাণী হয়ে বাস্তবায়িত হয়ে উঠেছিলো। তিনি কবিকে সম্বোধন করে বলেছিলেন, “আমরা যখন যুদ্ধে যাব তখন সেখানে নজরুলের গান গাওয়া হবে, যখন কারাগারে যাব তখনও তার গান গাব” সভা শেষে আচার্য রায়, সুভাষ বসু ও জনতার অনুরোধে কবি “জনদল চলে সময়ে” এবং “দুর্গমগিরি কান্তার মরু’’ গান দুটি গেয়ে সকলকে সম্মোহিত করে ফেলেন। বিপুল হর্ষধ্বনি ও আনন্দ কলরোলে বিরাট এলবার্ট হল প্রকম্পিত করে জনতা ধীরেসুস্থে হল ত্যাগ করে।
পাকিস্তানি উপনিবেশিক শাসন শোষণের যাতাকল থেকে বাঙ্গালি জাতির মুক্তির লক্ষ্যে মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে বাঙ্গালি জাতির উন্মেষ ঘঠিয়ে আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙ্গালি জাতিকে স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়ার পেছনে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও কবিতা অনুসঙ্গ হিসেবে কাজ করেছে ও প্রেরণা যুগিয়েছে। বাঙ্গালি জাতিকে মুক্তির আলো ও পথ দেখিয়েছে, বাঙ্গলিল হৃদয়ে স্বাধীনতার বীজ বোপণ করে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে জাতিকে মুক্ত করেছে নজরুলের গান ও কবিতা। ঘুমন্ত বাঙ্গালিকে জাগিয়ে তোলতে কবির জাগরণি গান জাতির প্রেরণার উৎস।
বাঙ্গালি জাতি জাগরণের কবি নজরুলকে ভারত থেকে এনে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে মর্যাদা দিয়ে নাগরিকত্ব ও পূণবার্সিত করে দায়মুক্ত হয়েছে।
লেখক, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক।
তথ্যসূত্র : খালেকদাদ চৌধূরী এঁর লেখা আত্নজীবনী গ্রন্থ “শতাব্দীর দুই দিগন্ত।“
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরীর প্রবন্ধসমূহ:
কথাশিল্পী খালেকদাদ চৌধুরীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক
নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মারক
নেত্রকোনায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন তালুকদার
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাদিস উদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীঃ বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ইনস্টিটিউট, অস্ট্রেলিয়া
শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা
মহেষখলা ক্যাম্প, ট্রাইবুনালের বিচারপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খালেকদাদ চৌধুরী
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: শামছুজ্জোহা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু
ষাটের দশকে ছাত্র রাজনীতি ও ৭১’- র মুক্তিযুদ্ধ
তথ্যসূত্রঃ
- চৌধুরী, হায়দার জাহান(সেপ্টেম্বর ২০২২). “নেত্রকোণার রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ মরহুম জননেতা আব্দুল খালেক এমপি”, বিজয় একাত্তর ষষ্ঠ সংখ্যা পৃষ্ঠা 01-06
- সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (03rd Jan 2026)”নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস”
- Nuri, Sanaullah (25 June 1994). “Memorial discussion on Bir Muktijudha Meher Ali in Netrakona”. The daily Dinkal. p. 6.
- সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (ফেব্রয়ারী ২০২0),” নেত্রকোনা জেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা ”, স্মরণে বঙ্গবন্ধু
- চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান ( ১৪ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণা”, আলোরপথে ৫তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৫-২০
- Khan, Fazlur Rahman Khan (25 June 1994). “Memorial Discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Dinkal. p. 6.
- Chowdhury, Khalekdad (1985). Shatabdir Dui Diganta (in Bengali). Dhaka.
- Kader, A K Fazlul Kader (25 June 1994). “Memorial Discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Dinkal. p. 6.
- সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৩ ডিসেম্বর ২০২২),” স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানী শহীদ মেহের আলী”, বিজয় একাত্তর ষষ্ঠ সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৩-৩৮
- আচার্য, সাংবাদিক জয়ন্ত,( ১৪ ডিসেম্বর ২০২১),মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধীজীবিবৃন্দ” সাপ্তাহিক-২০০০ পৃষ্ঠা ২০-২৪
- Khan, Ashraf Ali Khan Khoshru (23 May 2005). “Memorial discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Ittefaq. p. 8.
- সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে মধ্যনগর”, বিজয় একাত্তর ১১তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১-১২
- হাসান, প্রধান বিচারপতি জনাব ওবায়দুল(এপ্রিল ২০২৩),” মহেষখলা ইয়ুথ ক্যাম্প, মুক্তিযুদ্ধে মোহনগন্জ :মহেষখলা ইয়ুথ ক্যাম্প ও ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ”, পৃষ্ঠা ১০১-১০৩
- Nuri, Sanaullah (25 June 1994). “Memorial discussion on B
- চৌধুরী, হায়দার জাহান(সেপ্টেম্বর ২০২২). “জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা”, বিজয় একাত্তর পৃষ্ঠা 129-132
- চৌধুরী, হায়দার জাহান(মে ২০২৩). “নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা”, বিজয় একাত্তর সপ্তম সংখ্যা পৃষ্ঠা ৮১
- আহমেদ সামির (15 Jan 2026)” মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব“
- চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান ( ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫),” নেত্রকোনায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস”,
