মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব-৬

ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আহমেদ সামির

মধ্যনগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংক্ষিপ্ত জীবনী:

বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যরঞ্জন দাস

বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যরঞ্জন দাস: বীর মুক্তিযোদ্ধা সত্যরঞ্জন দাসের  পিতার নাম : বিনন্দ দাস মাতার নাম : মৃত: পাষান সরকার, স্ত্রীর নাম : দিপ্তী রাণী, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম : সুলেমানপুর, পোস্ট অফিস : ফারুকনগর উপজেলা : মধ্যনগর, জেলা : সুনামগঞ্জ। ছেলে-মেয়ের সংখ্যা) : তিনজন। ছেলের নাম :  উৎপল, পেশা : কৃষক, ঠিকানা : সুলেমানপুর, মেয়ের নাম : শাপলা, পেশা : গৃহিণী, ঠিকানা : দুগনই।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: মধ্যনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্যনগর বি.পি. হাই স্কুল থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা করেন ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান : ৫নং সেক্টরের কমান্ডার নাম কর্নেল মীর শওকত আলীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। পাঁচদিন মহেষখলা থাকেন। পরে ট্রেনিং জন্য ভারতের তুরায় যান। সেখানে ২১ দিন ট্রেনিং করেন। সুনামগঞ্জ জেলার ৫নং সেক্টরে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেবের পিতার নাম : মোঃ আঃ মজিদ মাতার নাম : মৃত: সুযের মা, স্ত্রীর নাম : মনোয়ারা, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম :  টেপিরকোনা, পোস্ট অফিস : ফারুকনগর , উপজেলা : ধর্মপাশা, জেলা : সুনামগঞ্জ । ছেলে-মেয়ের সংখ্যা : ছয়জন । ছেলের নাম : রতন, মানিক, আলী, পেশা : কৃষক, ঠিকানা : টেপিরকোনা, মেয়ের নাম : রুখসানা, মুক্তা, সোনালী, পেশা : গৃহিণী, ঠিকানা : টেপিরকোনা।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: বলরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান :১১নং সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে মহেষখলা ক্যাম্পের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী(নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭. জনাব আব্দুল কুদ্দুস আজাদ(মোহনগঞ্জ), ৮. জনাব নুরুজ্জামান চিশতী(বারহাট্টা),৯. জনাব মারাজ মিয়া চেয়ারম্যান,১০. জনাব ইনসান উদ্দিন খান(বারহাট্টা),  ১১. আব্দুল বারী তলুকদার(নেত্রকোণা সদর) । পরবর্তীতে জনাব আব্দুল হেকিম চৌধুরী টেকেরঘাট ক্যাম্পে চলে যান । উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মমিন -এমপি, নেত্রকোনার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক এমপি, কিশোরগঞ্জের এমপি আব্দুল কাদের, নেত্রকোনার হাদিছ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ মহেষখলা হয়ে ইন্ডিয়া চলে যান এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন স্থানে মু্ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দায়িত্ত্ব পালন করতে থাকেন। ভারতীয় বিএসএফ অফিসার ক্যাপ্টেন চৌহান মাঝে মাঝে মহিষখলা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসতেন। মহিষখলা ফরেস্ট অফিসের নিকট স্থাপন করা হয় মুজিব বাহিনী ক্যাম্প। সর্বজনাব গোলাম এরশাদুর রহমান ও হায়দার জাহান চৌধুরী ছিলেন মুজিব বাহিনী নেত্রকোণা জোনের কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডার। আর তোরার নিকটস্থ খেরাপাড়া ছিল মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তর। খেরাপাড়াতে ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ জোয়ারদার বাবুল নেত্রকোণার পক্ষে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক সাহেব ছিলেন নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ,শেরপুর,জামালপুর ও টাঙ্গাইল নিয়ে গঠিত অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিনায়ক। মুজিব বাহিনীর মহিষখলা ক্যাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সর্বজনাব রুহুল আমীন  (নেত্রকোণা সরকারী কলেজের বর্তমান সিনিয়র প্রভাষক), মোহনগঞ্জের প্রাক্তন জাসদ নেতা গোলাম রব্বানী চৌধুরী, এ,কে,এম আশ্রাব আলী (আবুল কুরেশ) ও সচিব উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কিছুদিনের জন্য শিবগঞ্জ রোডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতা সিরাজ উদ্দিন, মতিয়র রহমান তালুকদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রেজভী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। এখানেই এই ক্যাম্পে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরকে রিক্রুট করে উন্নত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য সিনিয়রদেরকে দেরাদুন এর তান্ডুয়া আর জুনিয়রদের আসামের হাফলং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হতো। মুজিব বহিনীর প্রশিক্ষণ মুক্তিবাহিনী অপেক্ষা ভিন্নতর ছিল। মুজিব বাহিনী পরিচালনার জন্য সকল ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সমন্বয়ে গঠন করা হতো তৃণমূলের কমান্ড স্ট্রাকচার। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সক্ষম হয়। মুজিব বাহিনী ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের জয়লাভের পরিকল্পনার ফসল।মহেষখলা ক্যাম্পের বিভিন্ন উপ কমিটির সদস্য যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন সর্বজনাব – বারহাট্টার সেকান্দর নূরী,ধর্মপাশার শওকত আলী, মণীন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী, খালিয়াজুড়ির বিমলেন্দ্র রায় চৌধুরী, রাজাপুরের মহারাজ মিয়া, মোহনগঞ্জের প্রিন্সিপ্যাল তারা মিয়া, মহরম আলী, বিষ্ণুপুরের অক্ষয় কুমারসহ, বংশীকুন্ডার হামিদপুরের আলী আকবর, সানুয়ার বসন্ত দাশ গুপ্ত, মোহনপুরের দিলু মড়ল, রাফায়েল মাস্টার, বনগাঁর আব্দুল হক, কার্তিকপুরের রাইজুদ্দিন মেম্বার, মহিষখলার কালা মিয়া মড়ল, আব্দুর রশিদ, শ্রীপুরের সুধীর চন্দ্র হাজং, সুমাই গিরি, সাউদপাড়ার ইয়াকুব আলী পঞ্চায়েত, কালীপুরের শাহাব উদ্দিন মহালদার, মোহনপুরের কেনারাম হাজং, হরিপদ বানাই, রামপুরের ছমির ফকির প্রমুখ। পরবর্তীতে ক্যাম্পের কাজকে তরান্বিত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা , অর্থ, খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্যসামগ্রী সংগহ এবং যুবসমাজকে সংগঠিত করে বিভিন্ন ক্যাম্পে দ্রুত ট্রেনিংয়ের জন্যে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিটি থানা ও গ্রামে গ্রামে মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ গঠন করে দেয়া হয়।

তিনি মহেষখলা ক্যাম্পে পাঁচদিন ট্রেনিং করেন। তারপর ভারতে তুরায় ২১ দিন ট্রেনিং করেন। ভারতের তুরা ট্রেনিং শেষ করে প্রথম যুদ্ধ করেন ধর্মপাশায় গ্রুপ কামান্ডার আ: খালেকের নেতৃত্বে এবং এটা ছিল ১১ নাম্বার সেক্টরের অধীন। পুরো ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের। তিনি যুদ্ধে গুরুতর ভাবে আহত হলে স্কোয়াডন লিডার হামিদুল্লাহ্ দায়িত্ব নেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূরুল হক

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূরুল হক: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নূরুল হকের পিতার নাম: মৃত: হাছেন আলী মুন্সী, মাতার নাম : মৃত: চান্দেরনেছা, স্ত্রীর নাম : মোছা: সালেহা খাতুন, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম : রংপুর, পোস্ট অফিস : কার্তিকপুর, উপজেলা: মধ্যনগর জেলা : সুনামগঞ্জ । ছেলে-মেয়ের সংখ্যা): ৪ জন, ছেলের নাম : সোহাগ, পেশা:  ছাত্র, মেয়ের নাম :  নার্গিস, নুরজাহান, নাসরিন  পেশা : শিক্ষক, ঠিকানা: মহিষখলা (নার্গিস),নিকট আত্মীয়ের নাম:  ক্বারী মোঃ নূরুল ইসলাম, ঠিকানা : কালগড়।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: কালগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মহিষখলা উচ্চ স্কুল থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান :১১নং সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের, কোম্পানী কমান্ডারের নাম (যদি থাকে) : শাহজাহান খান, উইং কমান্ডারের নাম (যদি থাকে): হান্নান মিয়া, ক্যাম্পের নাম: মহিষখলা, ট্রেনিংয়ের স্থান (যদি থাকে): ভারত, তুরা মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সভাপতির নাম: মোঃ আকিকুর রেজা ভূঞা, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের নাম: শ্রী দুর্গেশ কিরণ তালুকদার বাদল, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের শাখার নাম: মধ্যনগর মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী(নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭. জনাব আব্দুল কুদ্দুস আজাদ(মোহনগঞ্জ), ৮. জনাব নুরুজ্জামান চিশতী(বারহাট্টা),৯. জনাব মারাজ মিয়া চেয়ারম্যান,১০. জনাব ইনসান উদ্দিন খান(বারহাট্টা),  ১১. আব্দুল বারী তলুকদার(নেত্রকোণা সদর) । পরবর্তীতে জনাব আব্দুল হেকিম চৌধুরী টেকেরঘাট ক্যাম্পে চলে যান । উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মমিন -এমপি, নেত্রকোনার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক এমপি, কিশোরগঞ্জের এমপি আব্দুল কাদের, নেত্রকোনার হাদিছ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ মহেষখলা হয়ে ইন্ডিয়া চলে যান এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন স্থানে মু্ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দায়িত্ত্ব পালন করতে থাকেন। ভারতীয় বিএসএফ অফিসার ক্যাপ্টেন চৌহান মাঝে মাঝে মহিষখলা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসতেন। মহিষখলা ফরেস্ট অফিসের নিকট স্থাপন করা হয় মুজিব বাহিনী ক্যাম্প। সর্বজনাব গোলাম এরশাদুর রহমান ও হায়দার জাহান চৌধুরী ছিলেন মুজিব বাহিনী নেত্রকোণা জোনের কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডার। আর তোরার নিকটস্থ খেরাপাড়া ছিল মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তর। খেরাপাড়াতে ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ জোয়ারদার বাবুল নেত্রকোণার পক্ষে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক সাহেব ছিলেন নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ,শেরপুর,জামালপুর ও টাঙ্গাইল নিয়ে গঠিত অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিনায়ক। মুজিব বাহিনীর মহিষখলা ক্যাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সর্বজনাব রুহুল আমীন  (নেত্রকোণা সরকারী কলেজের বর্তমান সিনিয়র প্রভাষক), মোহনগঞ্জের প্রাক্তন জাসদ নেতা গোলাম রব্বানী চৌধুরী, এ,কে,এম আশ্রাব আলী (আবুল কুরেশ) ও সচিব উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কিছুদিনের জন্য শিবগঞ্জ রোডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতা সিরাজ উদ্দিন, মতিয়র রহমান তালুকদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রেজভী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। এখানেই এই ক্যাম্পে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরকে রিক্রুট করে উন্নত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য সিনিয়রদেরকে দেরাদুন এর তান্ডুয়া আর জুনিয়রদের আসামের হাফলং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হতো। মুজিব বহিনীর প্রশিক্ষণ মুক্তিবাহিনী অপেক্ষা ভিন্নতর ছিল। মুজিব বাহিনী পরিচালনার জন্য সকল ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সমন্বয়ে গঠন করা হতো তৃণমূলের কমান্ড স্ট্রাকচার। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সক্ষম হয়। মুজিব বাহিনী ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের জয়লাভের পরিকল্পনার ফসল।মহেষখলা ক্যাম্পের বিভিন্ন উপ কমিটির সদস্য যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন সর্বজনাব – বারহাট্টার সেকান্দর নূরী,ধর্মপাশার শওকত আলী, মণীন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী, খালিয়াজুড়ির বিমলেন্দ্র রায় চৌধুরী, রাজাপুরের মহারাজ মিয়া, মোহনগঞ্জের প্রিন্সিপ্যাল তারা মিয়া, মহরম আলী, বিষ্ণুপুরের অক্ষয় কুমারসহ, বংশীকুন্ডার হামিদপুরের আলী আকবর, সানুয়ার বসন্ত দাশ গুপ্ত, মোহনপুরের দিলু মড়ল, রাফায়েল মাস্টার, বনগাঁর আব্দুল হক, কার্তিকপুরের রাইজুদ্দিন মেম্বার, মহিষখলার কালা মিয়া মড়ল, আব্দুর রশিদ, শ্রীপুরের সুধীর চন্দ্র হাজং, সুমাই গিরি, সাউদপাড়ার ইয়াকুব আলী পঞ্চায়েত, কালীপুরের শাহাব উদ্দিন মহালদার, মোহনপুরের কেনারাম হাজং, হরিপদ বানাই, রামপুরের ছমির ফকির প্রমুখ। পরবর্তীতে ক্যাম্পের কাজকে তরান্বিত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা , অর্থ, খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্যসামগ্রী সংগহ এবং যুবসমাজকে সংগঠিত করে বিভিন্ন ক্যাম্পে দ্রুত ট্রেনিংয়ের জন্যে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিটি থানা ও গ্রামে গ্রামে মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ গঠন করে দেয়া হয়।

তিনি আটপাড়া থানায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন সময় এলাকায় মহিষখলা ক্যাম্প পরিচালনায় সহযোগিতা করেন ।ঐ সময় তাদের কোম্পানীর একজন যোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের সহযোগীতা করেন আটপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা যা কখনই ভুলে যাওয়ার কথা নয়। তাদেরকে সহযোদ্ধা সম্মানে সম্মানিত করতে পারলে দেশ স্বাধীন হওয়ার কাজটি পরিপূর্ণ হবে বলে তিনি মনে করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রহিম: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রহিমের পিতার নাম: মৃত: শাহনেওয়াজ, মাতার নাম : মৃত: সুরুজ বানু, স্ত্রীর নাম : মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম : চামরদানী, পোস্ট অফিস : চামরদানী, উপজেলা: মধ্যনগর জেলা : সুনামগঞ্জ, । ছেলে-মেয়ের সংখ্যা : ২ ছেলে, ১ মেয়ে (৩জন)। ছেলের নাম : নুরআলম, ফেরদৌস  আলম, পেশা:  ছাত্র, ঠিকানা:, মেয়ের নাম : মোছা: ইয়াসমিন আক্তার,  পেশা : শিক্ষক, ঠিকানা: আলমপুর, নিকট আত্মীয়ের নাম: মোছা: লাইয়েস উদ্দিন বেগ, ঠিকানা : চামরদানী ।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: চারমদানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্যনগর বিপি হাই স্কুল থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান :১১নং সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের, কোম্পানী কমান্ডারের নাম (যদি থাকে) : আব্দুল হান্নান,, উইং কমান্ডারের নাম (যদি থাকে): শাহজাহান, ক্যাম্পের নাম: মহিষখলা, ট্রেনিংয়ের স্থান (যদি থাকে): ভারত, তুরা মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সভাপতির নাম: মোঃ আকিকুর রেজা ভূঞা, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের নাম: শ্রী দুর্গেশ কিরণ তালুকদার বাদল, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের শাখার নাম: মধ্যনগর মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী(নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭. জনাব আব্দুল কুদ্দুস আজাদ(মোহনগঞ্জ), ৮. জনাব নুরুজ্জামান চিশতী(বারহাট্টা),৯. জনাব মারাজ মিয়া চেয়ারম্যান,১০. জনাব ইনসান উদ্দিন খান(বারহাট্টা),  ১১. আব্দুল বারী তলুকদার(নেত্রকোণা সদর) । পরবর্তীতে জনাব আব্দুল হেকিম চৌধুরী টেকেরঘাট ক্যাম্পে চলে যান । উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মমিন -এমপি, নেত্রকোনার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক এমপি, কিশোরগঞ্জের এমপি আব্দুল কাদের, নেত্রকোনার হাদিছ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ মহেষখলা হয়ে ইন্ডিয়া চলে যান এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন স্থানে মু্ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দায়িত্ত্ব পালন করতে থাকেন। ভারতীয় বিএসএফ অফিসার ক্যাপ্টেন চৌহান মাঝে মাঝে মহিষখলা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসতেন। মহিষখলা ফরেস্ট অফিসের নিকট স্থাপন করা হয় মুজিব বাহিনী ক্যাম্প। সর্বজনাব গোলাম এরশাদুর রহমান ও হায়দার জাহান চৌধুরী ছিলেন মুজিব বাহিনী নেত্রকোণা জোনের কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডার। আর তোরার নিকটস্থ খেরাপাড়া ছিল মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তর। খেরাপাড়াতে ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ জোয়ারদার বাবুল নেত্রকোণার পক্ষে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক সাহেব ছিলেন নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ,শেরপুর,জামালপুর ও টাঙ্গাইল নিয়ে গঠিত অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিনায়ক। মুজিব বাহিনীর মহিষখলা ক্যাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সর্বজনাব রুহুল আমীন  (নেত্রকোণা সরকারী কলেজের বর্তমান সিনিয়র প্রভাষক), মোহনগঞ্জের প্রাক্তন জাসদ নেতা গোলাম রব্বানী চৌধুরী, এ,কে,এম আশ্রাব আলী (আবুল কুরেশ) ও সচিব উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কিছুদিনের জন্য শিবগঞ্জ রোডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতা সিরাজ উদ্দিন, মতিয়র রহমান তালুকদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রেজভী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। এখানেই এই ক্যাম্পে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরকে রিক্রুট করে উন্নত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য সিনিয়রদেরকে দেরাদুন এর তান্ডুয়া আর জুনিয়রদের আসামের হাফলং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হতো। মুজিব বহিনীর প্রশিক্ষণ মুক্তিবাহিনী অপেক্ষা ভিন্নতর ছিল। মুজিব বাহিনী পরিচালনার জন্য সকল ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সমন্বয়ে গঠন করা হতো তৃণমূলের কমান্ড স্ট্রাকচার। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সক্ষম হয়। মুজিব বাহিনী ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের জয়লাভের পরিকল্পনার ফসল।মহেষখলা ক্যাম্পের বিভিন্ন উপ কমিটির সদস্য যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন সর্বজনাব – বারহাট্টার সেকান্দর নূরী,ধর্মপাশার শওকত আলী, মণীন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী, খালিয়াজুড়ির বিমলেন্দ্র রায় চৌধুরী, রাজাপুরের মহারাজ মিয়া, মোহনগঞ্জের প্রিন্সিপ্যাল তারা মিয়া, মহরম আলী, বিষ্ণুপুরের অক্ষয় কুমারসহ, বংশীকুন্ডার হামিদপুরের আলী আকবর, সানুয়ার বসন্ত দাশ গুপ্ত, মোহনপুরের দিলু মড়ল, রাফায়েল মাস্টার, বনগাঁর আব্দুল হক, কার্তিকপুরের রাইজুদ্দিন মেম্বার, মহিষখলার কালা মিয়া মড়ল, আব্দুর রশিদ, শ্রীপুরের সুধীর চন্দ্র হাজং, সুমাই গিরি, সাউদপাড়ার ইয়াকুব আলী পঞ্চায়েত, কালীপুরের শাহাব উদ্দিন মহালদার, মোহনপুরের কেনারাম হাজং, হরিপদ বানাই, রামপুরের ছমির ফকির প্রমুখ। পরবর্তীতে ক্যাম্পের কাজকে তরান্বিত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা , অর্থ, খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্যসামগ্রী সংগহ এবং যুবসমাজকে সংগঠিত করে বিভিন্ন ক্যাম্পে দ্রুত ট্রেনিংয়ের জন্যে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিটি থানা ও গ্রামে গ্রামে মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ গঠন করে দেয়া হয়।

তিনি কেন্দুয়া, আটপাড়ার বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। নেত্রকোণা যেদিন দেশ স্বাধীন হয় তখন তিনি আটপাড়ায় যুদ্ধরত অবস্থায় ছিলেন। যুদ্ধে আহত হন সালেক এবং রফিক নামে যোদ্ধা। যুদ্ধের সময় রৌহার নূর ইসলাম এবং নূরুল হকসহ ও আমার আরও অনেকে একসাথে যুদ্ধ করেন। স্মরণীয় ঘটনার মধ্যে এটা মনে থাকার বিষয় যে, ঐ দিন ভোরে তারা যুদ্ধরত এলাকার এক মুরব্বিকে পাকিস্তানী হানাদাররা মারধর করেন। এবং তার যুবতি মেয়েকে রাজাকারদের সহযোগিতায় তুলে নিয়ে যায়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরবল চন্দ্র দাস: বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরবল চন্দ্র দাসের পিতার নাম: স্বর্গীয় রমেশ চন্দ্র দাস, মাতার নাম : স্বর্গীয় মলবহীনি চন্দ্র দাস, স্ত্রীর নাম : মিলন রানী দাস, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম : পিপড়াকান্দা, পোস্ট অফিস : মধ্যনগর, উপজেলা: মধ্যনগর জেলা : সুনামগঞ্জ, ।ছেলে-মেয়ের সংখ্যা): ১ ছেলে, ২ মেয়ে (৩জন), ছেলের নাম : বিশ্বরুপ চন্দ্র দাস, পেশা:  চাকুরী,মেয়ের নাম :  মঞ্জুরী রাণী দাস, মনিশাহ্ রানী দাস,  পেশা : গৃহিণী/ছাত্রী।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: মধ্যনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , মোহনগঞ্জ পাইলট হাই স্কুল ও মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান :১১নং সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের,কোম্পানী কমান্ডারের নাম (যদি থাকে) : মোঃ ইসলাম উদ্দিন, ক্যাম্পের নাম: তুরা, মেঘালয়, ট্রেনিংয়ের স্থান (যদি থাকে):তুরা, ভারত। মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সভাপতির নাম: মোঃ আকিকুর রেজা ভূঞা, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের নাম: শ্রী দুর্গেশ কিরণ তালুকদার বাদল, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের শাখার নাম: মধ্যনগর মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী(নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭. জনাব আব্দুল কুদ্দুস আজাদ(মোহনগঞ্জ), ৮. জনাব নুরুজ্জামান চিশতী(বারহাট্টা),৯. জনাব মারাজ মিয়া চেয়ারম্যান,১০. জনাব ইনসান উদ্দিন খান(বারহাট্টা),  ১১. আব্দুল বারী তলুকদার(নেত্রকোণা সদর) । পরবর্তীতে জনাব আব্দুল হেকিম চৌধুরী টেকেরঘাট ক্যাম্পে চলে যান । উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মমিন -এমপি, নেত্রকোনার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক এমপি, কিশোরগঞ্জের এমপি আব্দুল কাদের, নেত্রকোনার হাদিছ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ মহেষখলা হয়ে ইন্ডিয়া চলে যান এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন স্থানে মু্ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দায়িত্ত্ব পালন করতে থাকেন। ভারতীয় বিএসএফ অফিসার ক্যাপ্টেন চৌহান মাঝে মাঝে মহিষখলা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসতেন। মহিষখলা ফরেস্ট অফিসের নিকট স্থাপন করা হয় মুজিব বাহিনী ক্যাম্প। সর্বজনাব গোলাম এরশাদুর রহমান ও হায়দার জাহান চৌধুরী ছিলেন মুজিব বাহিনী নেত্রকোণা জোনের কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডার। আর তোরার নিকটস্থ খেরাপাড়া ছিল মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তর। খেরাপাড়াতে ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ জোয়ারদার বাবুল নেত্রকোণার পক্ষে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক সাহেব ছিলেন নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ,শেরপুর,জামালপুর ও টাঙ্গাইল নিয়ে গঠিত অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিনায়ক। মুজিব বাহিনীর মহিষখলা ক্যাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সর্বজনাব রুহুল আমীন  (নেত্রকোণা সরকারী কলেজের বর্তমান সিনিয়র প্রভাষক), মোহনগঞ্জের প্রাক্তন জাসদ নেতা গোলাম রব্বানী চৌধুরী, এ,কে,এম আশ্রাব আলী (আবুল কুরেশ) ও সচিব উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কিছুদিনের জন্য শিবগঞ্জ রোডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতা সিরাজ উদ্দিন, মতিয়র রহমান তালুকদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রেজভী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। এখানেই এই ক্যাম্পে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরকে রিক্রুট করে উন্নত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য সিনিয়রদেরকে দেরাদুন এর তান্ডুয়া আর জুনিয়রদের আসামের হাফলং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হতো। মুজিব বহিনীর প্রশিক্ষণ মুক্তিবাহিনী অপেক্ষা ভিন্নতর ছিল। মুজিব বাহিনী পরিচালনার জন্য সকল ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সমন্বয়ে গঠন করা হতো তৃণমূলের কমান্ড স্ট্রাকচার। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সক্ষম হয়। মুজিব বাহিনী ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের জয়লাভের পরিকল্পনার ফসল।মহেষখলা ক্যাম্পের বিভিন্ন উপ কমিটির সদস্য যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন সর্বজনাব – বারহাট্টার সেকান্দর নূরী,ধর্মপাশার শওকত আলী, মণীন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী, খালিয়াজুড়ির বিমলেন্দ্র রায় চৌধুরী, রাজাপুরের মহারাজ মিয়া, মোহনগঞ্জের প্রিন্সিপ্যাল তারা মিয়া, মহরম আলী, বিষ্ণুপুরের অক্ষয় কুমারসহ, বংশীকুন্ডার হামিদপুরের আলী আকবর, সানুয়ার বসন্ত দাশ গুপ্ত, মোহনপুরের দিলু মড়ল, রাফায়েল মাস্টার, বনগাঁর আব্দুল হক, কার্তিকপুরের রাইজুদ্দিন মেম্বার, মহিষখলার কালা মিয়া মড়ল, আব্দুর রশিদ, শ্রীপুরের সুধীর চন্দ্র হাজং, সুমাই গিরি, সাউদপাড়ার ইয়াকুব আলী পঞ্চায়েত, কালীপুরের শাহাব উদ্দিন মহালদার, মোহনপুরের কেনারাম হাজং, হরিপদ বানাই, রামপুরের ছমির ফকির প্রমুখ। পরবর্তীতে ক্যাম্পের কাজকে তরান্বিত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা , অর্থ, খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্যসামগ্রী সংগহ এবং যুবসমাজকে সংগঠিত করে বিভিন্ন ক্যাম্পে দ্রুত ট্রেনিংয়ের জন্যে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিটি থানা ও গ্রামে গ্রামে মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ গঠন করে দেয়া হয়।

তারা বাঘমারা, বিজয়পুর ক্যাম্পে সারারাত্র যুদ্ধ করার পর ক্যাম্প শত্রু মুক্ত করেন। মমতাজ উদ্দিন নামের একজন মুক্তিযোদ্ধা গ্রেনেডের আঘাতে আহত হয়েছিল। এর পরের দিন স্বদলবলে বিরিশিরিতে শত্রুদের উপর আক্রমণ করেন। তারা সেখান থেকে রাত্র ৪ টায় পালিয়ে যায়। এরপর দূর্গাপুর আসার পর সরাসরি ধর্মপাশা চলে যান।

বীর মুক্তিযোদ্ধার মোঃ সুরুজ আলী: বীর মুক্তিযোদ্ধার মোঃ সুরুজ আলীর  পিতার নাম: মৃত: পুনাই মহলদার, মাতার নাম : মৃত: খাদিজা আক্তার, স্ত্রীর নাম : মোছা: জুৎসনা বেগম, বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম : মহিষখলা বাজার, পোস্ট অফিস : সাউধপাড়া, উপজেলা: মধ্যনগর জেলা : সুনামগঞ্জ। ছেলে-মেয়ের সংখ্যা): ২ ছেলে, ১ মেয়ে (৩) জন। ছেলের নাম : রওশন আলী, মিজানুর রহমান, পেশা: চাকুরী, ঠিকানা:, (আব্দুল মান্নান) , মেয়ের নাম :  মোছা: আছমা বেগম। নিকট আত্মীয়ের নাম:  আব্দুল মান্নান, ঠিকানা : মহিষখলা।

শিক্ষা ও কর্মজীবন: সাওদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রংছাতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শেষে  মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি ব্যবসা ও কৃষিকাজে মনোযোগী হন।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান : ১১নং সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল আবু তাহের, কোম্পানী কমান্ডারের নাম (যদি থাকে) : আব্দুল খালেক, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সভাপতির নাম: মোঃ আকিকুর রেজা ভূঞা, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের নাম: শ্রী দুর্গেশ কিরণ তালুকদার বাদল, মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের শাখার নাম: মধ্যনগর মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী(নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭. জনাব আব্দুল কুদ্দুস আজাদ(মোহনগঞ্জ), ৮. জনাব নুরুজ্জামান চিশতী(বারহাট্টা),৯. জনাব মারাজ মিয়া চেয়ারম্যান,১০. জনাব ইনসান উদ্দিন খান(বারহাট্টা),  ১১. আব্দুল বারী তলুকদার(নেত্রকোণা সদর) । পরবর্তীতে জনাব আব্দুল হেকিম চৌধুরী টেকেরঘাট ক্যাম্পে চলে যান । উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল মমিন -এমপি, নেত্রকোনার আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক এমপি, কিশোরগঞ্জের এমপি আব্দুল কাদের, নেত্রকোনার হাদিছ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ মহেষখলা হয়ে ইন্ডিয়া চলে যান এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন স্থানে মু্ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দায়িত্ত্ব পালন করতে থাকেন। ভারতীয় বিএসএফ অফিসার ক্যাপ্টেন চৌহান মাঝে মাঝে মহিষখলা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসতেন। মহিষখলা ফরেস্ট অফিসের নিকট স্থাপন করা হয় মুজিব বাহিনী ক্যাম্প। সর্বজনাব গোলাম এরশাদুর রহমান ও হায়দার জাহান চৌধুরী ছিলেন মুজিব বাহিনী নেত্রকোণা জোনের কমান্ডার ও ডেপুটি কমান্ডার। আর তোরার নিকটস্থ খেরাপাড়া ছিল মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দপ্তর। খেরাপাড়াতে ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ জোয়ারদার বাবুল নেত্রকোণার পক্ষে কর্মরত ছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক সাহেব ছিলেন নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ,শেরপুর,জামালপুর ও টাঙ্গাইল নিয়ে গঠিত অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিনায়ক। মুজিব বাহিনীর মহিষখলা ক্যাম্পের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সর্বজনাব রুহুল আমীন  (নেত্রকোণা সরকারী কলেজের বর্তমান সিনিয়র প্রভাষক), মোহনগঞ্জের প্রাক্তন জাসদ নেতা গোলাম রব্বানী চৌধুরী, এ,কে,এম আশ্রাব আলী (আবুল কুরেশ) ও সচিব উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কিছুদিনের জন্য শিবগঞ্জ রোডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতা সিরাজ উদ্দিন, মতিয়র রহমান তালুকদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রেজভী ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। এখানেই এই ক্যাম্পে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরকে রিক্রুট করে উন্নত গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণের জন্য সিনিয়রদেরকে দেরাদুন এর তান্ডুয়া আর জুনিয়রদের আসামের হাফলং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হতো। মুজিব বহিনীর প্রশিক্ষণ মুক্তিবাহিনী অপেক্ষা ভিন্নতর ছিল। মুজিব বাহিনী পরিচালনার জন্য সকল ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের সমন্বয়ে গঠন করা হতো তৃণমূলের কমান্ড স্ট্রাকচার। ফলে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃত্ব মুজিব বাহিনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সক্ষম হয়। মুজিব বাহিনী ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের জয়লাভের পরিকল্পনার ফসল।মহেষখলা ক্যাম্পের বিভিন্ন উপ কমিটির সদস্য যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন সর্বজনাব – বারহাট্টার সেকান্দর নূরী,ধর্মপাশার শওকত আলী, মণীন্দ্র চন্দ্র চৌধুরী, খালিয়াজুড়ির বিমলেন্দ্র রায় চৌধুরী, রাজাপুরের মহারাজ মিয়া, মোহনগঞ্জের প্রিন্সিপ্যাল তারা মিয়া, মহরম আলী, বিষ্ণুপুরের অক্ষয় কুমারসহ, বংশীকুন্ডার হামিদপুরের আলী আকবর, সানুয়ার বসন্ত দাশ গুপ্ত, মোহনপুরের দিলু মড়ল, রাফায়েল মাস্টার, বনগাঁর আব্দুল হক, কার্তিকপুরের রাইজুদ্দিন মেম্বার, মহিষখলার কালা মিয়া মড়ল, আব্দুর রশিদ, শ্রীপুরের সুধীর চন্দ্র হাজং, সুমাই গিরি, সাউদপাড়ার ইয়াকুব আলী পঞ্চায়েত, কালীপুরের শাহাব উদ্দিন মহালদার, মোহনপুরের কেনারাম হাজং, হরিপদ বানাই, রামপুরের ছমির ফকির প্রমুখ। পরবর্তীতে ক্যাম্পের কাজকে তরান্বিত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা , অর্থ, খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্যসামগ্রী সংগহ এবং যুবসমাজকে সংগঠিত করে বিভিন্ন ক্যাম্পে দ্রুত ট্রেনিংয়ের জন্যে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রতিটি থানা ও গ্রামে গ্রামে মুক্তিসংগ্রাম পরিষদ গঠন করে দেয়া হয়।

কলমাকান্দা থানায় তিনি প্রথম সম্মুখ যুদ্ধে উপস্থিত হন । সাথে মোটর বোম নিয়ে সাতার দিতে গিয়ে পানিতে পরে যায়। তার পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুনরায় বোমগুলি নিয়ে উঠেন। ঐ দিন তারা চলে আসেন। ধর্মপাশা থানায় পাকিস্তানিদের আক্রমণ করেন। খদ্দিরচর মাদ্রাসার সামনে বেশ কয়েকজন শত্রুকে তারা হত্যা করেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন আহত হন।

 

আহমেদ সামিরের প্রবন্ধসমূহ:

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না–৩

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব–৪

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব–৫

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব–৬

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব–৭

মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব–৮

তথ্য সূত্রঃ

  1.  আহমেদ সামির (15 Jan 2026)” মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব-২
  2.  আহমেদ সামির (15 Jan 2026)” মুক্তিযুদ্ধে মহেষখলা ও মধ্যনগর : হাওরের নীরব কান্না পর্ব
  3.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(সেপ্টেম্বর ২০২২). নেত্রকোণার রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ মরহুম জননেতা আব্দুল খালেক এমপি”, বিজয় একাত্তর ষষ্ঠ সংখ্যা পৃষ্ঠা 01-06
  4.  আহমদ, ভাষা সৈনিক আজিম উদ্দীন (২০২২)। অসমাপ্ত গল্প। ঢাকা: অনির্বান পাবলিকেসন্স। পৃ. ২, ১২।
  5.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (03rd Jan 2026)”নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস”
  6.  Nuri, Sanaullah (25 June 1994). “Memorial discussion on Bir Muktijudha Meher Ali in Netrakona”. The daily Dinkal. p. 6.
  7.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(মে ২০২৩). নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা, বিজয় একাত্তর সপ্তম সংখ্যা পৃষ্ঠা  ৮১
  8.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(সেপ্টেম্বর ২০২২). জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা, বিজয় একাত্তর পৃষ্ঠা 129-132
  9.  Shamsusjuha, Md (25 June 1994). “Memorial Discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Dinkal. p. 6.
  10.  Khan, Ashraf Ali  Khoshru (23 May 2005). “Memorial discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Ittefaq. p. 8.
  11.  রহমান, গোলাম এরশাদুর,” মুক্তি সংগ্রামে নেত্রকোনা”
  12.  ইসলাম, মঈনউল,” ‘মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোনায় গণহত্যা ও বুদ্ধিজীবী নিধন”, নেত্রকোনার সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস নেত্রকোনা, জেলা প্রশাসন
  13.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে মধ্যনগর”, বিজয় একাত্তর ১১তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১-১২
  14.  জামান  ইন্জীনিয়ার (২৩ ডিসেম্বর ২০২২),” নেত্রকোনার শহীদ বুদ্ধিজীবিবৃন্দ”,বিজয় একাত্তর, পৃষ্ঠা ৮৫-৯২
  15.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(মে ২০২২),”শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতহিাস”, মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোনা পৃষ্ঠা ২০২-২০৫
  16.  Khan, Motiur Rahman (18 May 2005). “Memorial Discussion on Bir Muktijudha Meher Ali”. The Daily Samachar.
  17.  চৌধুরী, হায়দার জাহান(এপ্রিল ২০২২). “),”শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতহিাস,”, শহীদ মেহের আলীর সংক্ষিপ্ত জীবনী পৃষ্ঠা 1-3(সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ’৭১,নেত্রকোণা জেলা শাখা।)
  18.  চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান ( ১৪ডিসেম্বর ২০২৫),” মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণা”, আলোরপথে ৫তম সংখ্যা , পৃষ্ঠা ১৫-২০
  19.  আচার্য, সাংবাদিক জয়ন্ত,( ১৪ ডিসেম্বর ২০২১),মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধীজীবিবৃন্দ” সাপ্তাহিক-২০০০ পৃষ্ঠা ২০-২৪
  20.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (২৩ ডিসেম্বর ২০২২),” স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানী শহীদ মেহের আলী”,বিজয় একাত্তর, পৃষ্ঠা ১৩-৩৮
  21.  সরকার, অধ্যাপক ননী গোপাল (ফেব্রয়ারী ২০২0),” নেত্রকোনা জেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা ”, স্মরণে বঙ্গবন্ধু
  22.  খান, আলী আহাম্মদ আইয়োব,”নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস”, গতিধারা
Scroll to Top