শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-২
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
অংশগ্রহন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষার দাবীতে আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখন শহীদ মেহের আলী দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে ২২ ও ২৩ শে ফেব্রুয়ারী নেত্রকোণায় দত্ত উচচ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন ।“রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই “ শ্লোগানে রাজপথ কাপিয়েছেন। তার সহযোদ্ধা যারা ছিলেন তারা হলেন – ভাষা সৈনিক সর্বজনাব আজিম উদ্দীন আহমেদ,প্রদ্যোথ নাথ ভাদুড়ী, প্রদীপনাথ ভাদুড়ী,কামাল উদ্দীন আহমেদ,কবি আল আযাদ,আব্দুল আলী তালুকদার প্রমুখ। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে সাবেক এম.পি আব্দুল খালেক ও ভাষা সৈনিক আজিম উদ্দীন আহমেদের সাথে তিনি প্রচারভিযানে অংশ গ্রহন করেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে,৫০-এর দশকে নেত্রকোনায় স্বাধীকার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক জনাব সানাউল্লাহ নূরী ও মেহের আলীর অবদানের কথা নেত্রকোনার ইতিহাসে অনুচ্চারিত রয়ে গেছে। অথচ এরা দুজনেই সর্বজনাব এন আই খান, এডভোকেট ফজলুর রহমান খান, জনাব আব্দুল খালেক, জনাব খালেকদাদ চৌধুরী, ডা. জগদীশ দত্ত, এডভোকেট একে ফজলুল কাদের, মাওলানা ফজলুর রহমান খান,হাবিবুর রহমান খান, সত্যকিরণ আদিত্য,ওয়াজেদ আলী প্রমুখদের সাথে রাজনীতি করেছেন।
মেহের আলীর সাথে জনাব নুরীর সম্পর্কটা ছিল বড় ভাইয়ের মতো। জনাব নুরী ঢাকায় চলে যাবার পরও মেহের আলীর সাথে গভীর যোগযোগ ছিল। মেহের আলী স্কুল কলেজে পড়াকালীন ঢাকায় গেলে জনাব নুরীর বাসায় থাকত। পরবর্তীতে মেহের আলী জনাব নুরীর বাসায় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। জনাব নুরীর মাধ্যমে মেহের আলী যে সকল বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সান্নিধ্যে আসেন তারা হলেন ভাষা আন্দোলনের অগ্রনায়ক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবূল কাসেম, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী,অধ্যাপক অজিত কুমার গুহ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, কবি জসীমউদ্দীন, আর্টিষ্ট কামরুল হাসান,সওগাত সম্পাদক মো নাছির উদ্দীন,ইত্তেফাক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া,শহীদ সাংবাদিক সিরাজউদ্দীন হোসেন,ডঃ কুদরত-ই-খুদা, লাঠিবাহিনীর সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক চৌধুরী, শিক্ষাবিদ সেলিনা বাণু প্রমুখ। ঐ সকল জাতীয় ব্যক্তিদের দ্বারা মেহের আলী রাজনীতি,সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয় । তার ডায়েরীর উদ্ধারকৃত কয়েকটি পাতায় লিখিত কবিতা ও গল্প থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়।
১৯৬২ সালে রেল অবরোধ ও ভাংচুরের মামলায় মেহের আলী বেশ কিছুদিন জেল হাজতে ছিলেন। জেলখানায় বসে মেহের আলী পাকিস্থানি সামরিক নির্যাতন এর বিরুদ্ধে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কচি-কাঁচার মেলা নামে একটি শিশু-কিশোর সংগঠন গড়ে তোলার পরিকল্পণা করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৬৩ সনের জানুয়ারি মাসে মধুমাছি কচিকাঁচার মেলা গঠন করেন। তিনি ছিলেন মধুমাছি কচিকাঁচার মেলার প্রধান উদ্যেক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক । মেলার পরিচালক হিসেবে ছিলেন জনাব এডভোকেট একে ফজলুল কাদের, আর উপদেষ্টা মন্ডলীতে ছিলেন- সর্বজনাব এন আই খান,জনাব আব্দুল খালেক, জনাব খালেকদাদ চৌধুরী, ডা. জগদীশ দত্ত, এডভোকেট ফজলুর রহমান খান,মাওলানা ফজলুর রহমান খান,হাবিবুর রহমান খান প্রমুখ। জনাব মেহের আলী শামসুজ্জোহাকে আহ্ববায়ক ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আয়েশা খানমকে আহ্ববায়িকা করে কমিটি গঠন করে দেন। এরই মধ্যে ডাকসু নির্বাচন চলে আসে। মেহের আলী ডাকসু নির্বাচনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন পূর্বপাকিস্থান ছাত্রলীগের প্রার্থীদেরকে বিজয়ী করবার জন্যে। কিন্তু সে নির্বাচনে ৯০টি আসনের মধ্যে ৮০ টি আসনে র্পূর্বপাকিস্থান ছাত্র ইউনিয়ন জয় লাভ করে(হল ও কেন্দ্রীয় সংসদ মিলিয়ে)। বিশ্ববিদ্যালয় অর্নিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ১৯৬৪ সনে ১লা,২রে মে কবি সুফিয়া কমাল ও রোকনোজ্জামান দাদা ভাইসহ মেলার পরিচালকবৃন্দের ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নেত্রকোণায় নিয়ে আসেন। উল্লেখ্য, তখন নেত্রকোণায় ঐ প্রথম দুদিনব্যাপী এতবড় বিচিত্রানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে মেলার ভাইবোনদের একটি দল কুচ-কাওয়াজ ও শরীর চর্চা প্রদর্শন করে। দাদা ভাই খুশী হয়ে দলটির নাম দেন শেরে বাংলা বাহিনী। শেরে বাংলা বাহিনী এখনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে কুচ-কাওয়াজ ও শরীর চর্চা প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে জনাব মতিয়ুর রহমান খানকে আহ্ববায়ক ও চামেলী খুরশিদকে আহ্ববায়িকা করে কমিটি গঠন করে দেয়া হয় ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালে দায়িত্বে আসি আমি হায়দার জাহান চৌধুরী ও খনা সেন রায় আহ্ববায়ক ও আহ্ববায়িকা হিসেবে । পরে আলাউদ্দীন খান ও রেজিয়া রহমান ছবি আহ্ববায়ক ও আহ্ববায়িকা হিসেবে দায়িত্বে আসেন। এরপর যারা আহ্ববায়ক হিসেবে দায়িত্বে আসেন তারা হলেন-জনাব আনোয়ারুল হক ভূইয়া, জসিম উদ্দীন ভূইয়া,দিলুয়ারুল হক ভূইয়া,এ টি এম মন্জুরুল হক,বিপুল সাহা,সাকী,রবিন,ইমু। এই কচি-কাঁচার মেলার মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক র্কমকান্ডের আড়ালে রাজনৈতিক র্কমকান্ড চালানোর উদ্দ্যেশেই মেহের আলী আইযুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগকে সুকৌশলে সম্পৃক্ত করেছিলেন। সামাজিক ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মধুমাছি-কচি-কাঁচার মেলা কর্তৃপক্ষ মধুমাছি-কচি-কাঁচা-বিদ্যানিকেতন নামে একটি হাই স্কুল পরিচালনা করছে। মেহের আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কেন্দ্রীয় কচিকাচার মেলার সাথে যুক্ত ছিলেন এবং কবি সুফিয়া কামাল ও রোকনোজ্জামান দাদা ভাইয়ের সাথে অত্যন্ত সুসম্পর্ক গড়ে তুলেন।
এরপর মেহের আলী নেত্রকোনা শ্রমিকলীগ প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে এটিকেও একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৪ সালে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রথম শহীদ মিনারের অন্যতম স্থপতিও ছিলেন তিনি।
১৯৬০ সালে মার্শাল’‘ল’ বিরোধী আন্দোলনে তৎকালীন নেত্রকোণার ছাত্র সংস্থার ভূমিকা উল্লেখ করার মত। এই ছাত্র সংস্থার ব্যানারেই ‘ছাত্র ঐক্য জিন্দাবাদ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ও গোপণীয়তা বজায় রেখে মার্শাল ‘ল’ বিরোধী বিভিন্ন ভাষার হাতের লেখা পোস্টার রাতের অন্ধকারে শহরে সাঁটিয়ে দিয়ে জনমনে আলোড়ন সৃষ্টি করে এক ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছে নেত্রকোণার ছাত্র সংস্থা নামে এই সংগঠনটি। নেত্রকোণা ছাত্র আন্দোলনকে সামনে রেখে এই সংগঠনটি প্রাথমিক পর্যায়ে গোপনে, পরবর্তীতে প্রকাশ্যে ছাত্রদেরকে সংগঠিত করে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা যেমন-সত্যকিরণ আদিত্য, আব্দুল খালেক, ওয়াজেদ আলীসহ প্রমুখ এই ধরনের প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কাজ করেছিলেন। কিংবদন্তী ছাত্রনেতা জনাব মেহের আলী সর্বজনাব জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো: শামছুজ্জোহা, গাজী মোশারফ হোসেন, টি.এ রহমত উল্লাহ, নুরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান খান, আব্দুস সাত্তার প্রমুখ নেতাদের নিয়ে ছাত্র সংস্থা গড়ে তুলেন । এরপর ১৯৬২ সালে নেত্রকোনা মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে জনাব মেহের আলী ও জনাব শামসুজ্জোহাকে প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী করে কমিটি করে দেয়া হয়। ঐ কমিটির অন্যান্য প্রতিষ্ঠাতা সদস্যবৃন্দ যারা ছিলেন তারা হলেনঃসর্বজনাব জামাল উদ্দিন আহম্মেদ(সহ-সভাপতি) , বিপ্লব চক্রবর্তী, মতিয়র রহমান খান, শহিদ উদ্দিন আহমেদ, আ: মান্নান, আব্দুর রহমান, আব্দুল ওয়াহেদ, আলাউদ্দিন খান, আশরাফ আলী খান খসরু, হায়দার জাহান চৌধুরী (লেখক), ধীমান রঞ্জন বিশ্বাস (ভারত প্রবাসী)। শুরু হয় নেত্রকোণায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন জেলা ছাত্রলীগের অভিযাত্রা। এই কমিটি তিন বছর দায়িত্ব পালন করে। জনাব মেহের আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাবার পর সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় জনাব জামাল উদ্দিন আহম্মেদকে।
আইয়ুব খানের মার্শাল’ ল’ বিরোধী গোপণ আন্দোলনের সূত্র ধরেই ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৬২’র হামিদুর রহমার শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাতিলের দাবীতে দেশব্যাপী ছাত্র সমাজের নেতৃত্বে শিক্ষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এরই পথ ধরে ৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯’র সর্বদলীয় ছাত্রসমাজের ১১ দফা আন্দোলন যাহা গণআন্দোলনের রূপ নিয়ে পাকিস্থানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটিয়ে আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্ত করে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন মেহের আলী বঙ্গবন্ধুর সাথে একই মঞ্চে বহুবার বক্তব্য প্রদান করেছেন। ঐ সময় দল ছিল আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিকলীগ। ছাত্রদের পরপরই যে দুটো গ্রুপ সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল তা হলো শ্রমিক ও কৃষক সমাজ। জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম ও কৃষিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে জনাব মেহের আলীকে দায়িত্ব দেয়া হয় এই দুটো শক্তিশালী গ্রুপকে সংগঠিত ও স্বাধীকার আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার জন্য। মেহের আলী অত্যন্ত সফলভাবে তা সম্পন্ন করেন এবং ছাত্র,কৃষক, শ্রমিক ও জনতার প্রাণের নেতায় পরিণত হন। অতএব জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী শ্রম ও কৃষিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে প্রটোকল অনুযায়ী সব অনুষ্ঠানেই মেহের আলীর বক্তব্য দেয়ার সুযোগ এসে যেত। উপরন্তু প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ থাকায় একটা বাড়তি সুবিধাতো অবশ্যই মেহের আলী পেতেন।
৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ও সেই সাথে আরেক সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের আগমন ঘটে। সেই সামরিক শাসক ছাত্র গণআন্দোলনের মুখে ৭০’র জাতীয় নির্বাচন এবং ৭১’র মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে নেত্রকোণা এলাকায় কিংবদন্তী নেতা বীর মুক্তিমুযোদ্ধা শহীদ মেহের আলীর নাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান : বঙ্গবন্ধুর ডাকে তিনি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। ২৭ মার্চ নেত্রকোণা আওয়ামী লীগ অফিসে নেত্রকোণার তৎকালীন মহকুমা আওয়ামীলীগ এর নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। মোঃ মেহের আলী নেত্রকোণায় মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। নেত্রকোণা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আটপাড়া মদন খালিয়াজুরী এলাকার এম.পি খালেক সাহেবকে আহবায়ক করে নেত্রকোণা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। সকল নির্বাচিত এম.এন.এ ও এম.পিগণ সংগ্রাম পরিষদে অন্তর্ভূক্ত হন। তাছাড়া নেত্রকোণা পৌর চেয়ারম্যান এন আই খান,এডভোকেট ফজলুর রহমান খান,আব্দুল মজিদ তারা মিয়া, আব্বাছ আলী খান, খালেকদাদ চৌধুরী,এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের, মৌলানা ফজলুর রহমান খান, নুরু মিয়া,জামাল উদ্দিন আহমেদ, সাফায়েত আহম্মদ খান,মোঃ শামছুজ্জোহা, গোলজার হোসেন,গোলাম এরশাদুর রহমান, হায়দার জাহান চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত হয় মহকুমা সংগ্রাম পরিষদ ।
মোঃ মেহের আলী মহেষখলা ক্যাম্প পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহেষখলা ক্যাম্পপরিচালনা পরিষদের সম্মানীত সদস্য যারা ছিলেন – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজনাব নেত্রকোণার ১. ডা: আখলাকুল হোসাইন আহমেদ(সভাপতি-জুন – ডিসেম্বর), ২. সুনামগন্জের(ধর্মপাশা) আব্দুল হেকিম চৌধুরী(সভাপতি-এপ্রিল – জুন),৩. এডভোকেট কে এম ফজলুল কাদের(নেত্রকোণা), ৪. বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ৫. মোঃ মেহের আলী ( নেত্রকোণা সদর), ৬. ডা. জগদীশ চন্দ্র দত্ত,(নেত্রকোণা সদর),৭.
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরীর প্রবন্ধসমূহ:
কথাশিল্পী খালেকদাদ চৌধুরীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক
নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মারক
নেত্রকোনায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন তালুকদার
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাদিস উদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীঃ বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ইনস্টিটিউট, অস্ট্রেলিয়া
শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা
মহেষখলা ক্যাম্প, ট্রাইবুনালের বিচারপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খালেকদাদ চৌধুরী
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: শামছুজ্জোহা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু
শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
