শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
ষাটের দশকের নেত্রকোণায় ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক। তৎকালীন নেত্রকোণা মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস। ষাটের দশকে নেত্রকোণায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে যে নামটি বার বার উচ্ছারিত হবে তিনিই হলেন শহীদ মেহের আলী। ১৯৪১ সালে নেত্রকোণা পৌরসভার ইসলামপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তী ছাত্র নেতার প্রকৃত নাম ছিল মো: মেহের আলী, পিতা মো: আক্তার আলী, মাতা মোসাম্মৎ তুলাজান বিবি। ছোটবেলা থেকেই তিনি খুব মেধাবী ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানসম্মত নেতৃত্বের গুনাবলীসহ বিরল প্রতিভার অধিকারী। তার স্ত্রী রওশনারা বেগম। তার সন্তান জনাব এম কে জামান অস্ট্রেলীয়াতে সফল ইন্জিনীয়ার এবং অধ্যাপনায় নিযুক্ত আছেন । বিশ্বমানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় আর্ন্তজাতকি সংস্থা Amnesty International ও Green Peace -এর সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। “Bangladesh Martyrs Memorial Research Center” and “Bangladesh Muktijudho Research Institute” প্রতিষ্ঠান দুটির মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিয্দ্ধ বিষয়ক গবেষণা, জাতির বীর সন্তানদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে সহায়তা ও তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছেন। ইন্জিনীয়ার জামান বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ইন্সটিটিউট পদক নামে একটি পদক চালু করেন।পাশাপাশি বাংলাদেশে সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কারে ভুমিকা পালন করছেন। শহীদ মেহের আলী তাদের মালনী রোডের বাসায় থেকে তার সফল ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক জীবন গড়ে তোলেন।
শিক্ষাজীবন : শহীদ মেহের আলী Anjuman Adarsha Government High School -এ শিক্ষা জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দত্ত উচচ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন। অতপর নেত্রকোণা কলেজ , পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ থেকে উচচ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.এস.সি সমাপ্ত করার পর এমএসসি-র ছাত্র ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কিংবদন্তী ছাত্রনেতা শহীদ মেহের আলী সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. ফজলুর রহমানের ছাত্র ছিলেন।একই এলাকায় বাড়ী হওয়ায় তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। মেহের আলীর সাথে তিনি প্রথমে গোপনে ও পরে প্রকাশ্যে স্বাধীকার আন্দোলনে অংশ গ্রহন করেন।
রাজনীতি ও সংস্কৃতি: ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত যত আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে তার প্রতিটিতেই মেহের আলীর স্বরব উপস্থিতি ও নেতৃত্ব নেত্রকোণাবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের ঊষালগ্নে নেত্রকোণার রাজনীতির আকাশে এক উজ্বল নক্ষত্র হলেন শহীদ মেহের আলী। শহীদ মেহের আলী সম্বন্ধে এক আলাপচারিতায় ঐ সময়ের আরেক ছাত্রনেতা নেত্রকোণা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: শামছুজ্জোহা বলেছেন, মেহের আলী ভাই সর্ম্পকে বলার আগে আমি ষাটের দশকের সময়টার কথা কিছু বলতে চাই। আজকাল রাজনীতি করা ও নেতা হওয়া খুব সহজ। কিন্তু তখনকার যুগে রাজনীতি করা মানে নিশ্চিত জেল হাজতে যাওয়া নতুবা মৃত্যু। কারণ পাকিস্থান সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে বা শ্লোগান তুললেই জেল জুলুম হুলিয়া জারী হয়ে যেতো। আন্দোলন সংগ্রামের আবাস ইঙ্গিত পেলেই ১৪৪ ধারা জারী অথবা কারফিউ দিয়ে নেতা কর্মী ও জনগনের উপর অত্যাচার নির্যাচনের ষ্ট্রিম রোলার চালাতো। এমনকি নেতা কর্মীদের হত্যা করতেও পিছু পা হতো না। আমরা সেই কঠিন সময়গুলোতে মেহের আলী ভাইয়ের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।
১৯৬৪ সালের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করলেই মেহের আলী ভাইয়ের গুরুত্ব বোঝা যাবে। সেদিন দেশব্যাপী সাধারণ ছাত্র ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল। এই ধর্মঘটে নেত্রকোণায় ছাত্র সমাজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মিছিল মিটিং-এ নেত্রকোণার তৎকালিন মুসলিম লীগের পেটুয়াবাহিনী হামলা চালায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে। এই হামলায় ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতা কর্মীসহ মেহের আলী ভাই রক্তাক্ত জখম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় মেহের আলী ভাইয়ের নেতৃত্বে সম্মিলিত ছাত্র সমাজের পাল্টা হামলা চালালে মুসলিম লীগের গুন্ডা বাহিনি পালিয়ে যায়। ১৯৬২ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সারা দেশব্যাপী ধর্মঘট ডাকা হয়। নেত্রকোণায় ধর্মঘট চলাকালে মোহনগঞ্জ থেকে একদল ছাত্রকর্মী সভায় যোগ দিতে ট্রেনযোগে নেত্রকোণায় আসছিল। সেদিন ট্রেনে মোবাইল কোর্ট বিনা টিকেটে যাত্রীদের সাথে আগত ছাত্রকর্মীদেরকে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে নেত্রকোণার ছাত্র সমাজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে নেত্রকোণা বড় ষ্টেশনে ট্রেন আটকিয়ে ভাংচুর করে ছাত্রকর্মীদেরকে ছিনিয়ে আনে। রেল কর্তৃপক্ষ মামলা দায়ের করলে নেত্রকোণাবাসীর উপর সরকারের নির্দেশে পাইকারী জরিমানা ধার্য করা হয়। সেই সাথে ছাত্রনেতা মেহের আলী ভাইসহ বেশ কিছু নেতাকর্মীকে পুলিশ ধরে জেল হাজতে প্রেরণ করে। নেত্রকোণার এই ঘটনা সেদিন বিবিসি, ভয়েজ অফ অ্যামেরিকা ও আকাশবাণী কলকাতা থেকে খবর প্রকাশ হয়েছিল। শহীদ মেহের আলী তৎকালিন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন, এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছাত্র সংগঠন পূর্বপাকিস্থান ছাত্রলীগ করতেন। তিনি বিশ্বদ্যালয়ের পাশাপাশি নেত্রকোণার আন্দোলগুলোতেও নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। বিশ্বদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে তৎকালীন ডাকসুসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে ছিল। পাশাপাশি জাতীয় নেতৃবৃন্দের সাথেও উনার ভাল যোগাযোগ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন তথা জাতীয় আন্দোলনগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেছেন ও গুরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন । আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা প্রসিডিয়াম মেম্বার এডভোকেট সৈয়দ আহমেদ ছিলেন মেহের আলীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অন্যকে সম্মান করলে নিজের সম্মান বাড়ে।মেহের আলীকে নিয়ে আরো গবেষনা করা প্রয়োজন। উনার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের জাতীয় পর্যায়ের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস তুলে আনতে পরলে তা আমাদের নেত্রকোনার ইতিহাস ও ঐহিহ্যকে সম্মৃদ্ধ করবে। মনে রাখতে হবে যারা দেশের তথা জাতির জন্য কাজ করেছেন তারা কোন পরিবার বা গোষ্ঠীর সম্পদ নয় তারা পুরো বাংগালী জাতির অহংকার।
নেত্রকোণায় ছাত্র সংগঠন করার লক্ষ্যে নেত্রকোণা আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল খালেকের পত্র নিয়ে মেহের আলী ও শামছুজ্জোহা ঢাকা গিয়ে গুলিস্থানে (বঙ্গবন্ধু এভ্যিনিউ) আলফা লাইফ ইন্সুরেন্স অফিসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং খালেক সাহেবের পত্র হস্তান্তর করেন। বঙ্গবন্ধু তাদের কথা শুনে একটি চিরকুট লিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলুল হক হলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনির নিকট পাঠিয়ে দেন। চিরকুটে লেখা ছিলো এরা নেত্রকোণা থেকে এসেছে ছাত্রলীগ করতে চায়। শেখ মনি মেহের আলী ও শামছুজ্জোহার সাথে আলাপ আলোচনা করে ছাত্রলীগের আদর্শ উদ্দেশ্য সর্ম্পকে বলে কিছু ছাপানো লিফলেট গঠনতন্ত্র ও কিছু পুস্তিকা দিয়ে তাদেরকে নেত্রকোণা পাঠিয়ে দেন এবং সর্তক করে দেন এসব বই পত্র যেনো পুলিশের হাতে না পড়ে, পড়লে কিন্তু নির্ঘাত জেল। বস্তুত নেত্রকোণা ছাত্রলীগ সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাণ পুরুষ ছিলেন শহীদ মেহের আলী। শহীদ মেহের আলী নেত্রকোণা শুধু ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতাই ছিলেন না তিনি নেত্রকোণা জেলা শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। শহীদ মেহের আলী রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দক্ষতা এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে বিরল প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে সরাসরি শ্রমিকলীগের রাজনীতিতে চলে আসেন। তিনি ছিলেন নেত্রকোণা আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির শ্রম ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। সর্বজন শ্রদ্ধেয় সর্বজনাব মজির উদ্দিন মোক্তার, আব্দুল মমিন, আব্দুল খালেক, ফজলুর রহমান খান, কে. এম. ফজলুল কাদের, এন.আই. খান, আব্বাস আলী খান, কথা সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী , ডাঃ জগদীশ দত্ত, ডাঃ আকলাকুল হোসাইন আহমেদ, হাদিস চৌধুরী , আব্দুল মজিদ তারা মিয়া, প্রমুখদের সাথে তিনি রাজনীতি করেছেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নেতৃত্বে ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন ও একাত্তরের মুক্তিমুদ্ধের শহীদ মেহের আলী ছিলেন এক সংশপ্তক সূর্য্য সৈনিক। যাদেরকে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন তারা হলেন সর্বজনাব মোঃ শামছুজ্জোহা, মতিউর রহমান খান, সাফায়েত আহমেদ খান, আশরাফ আলী খান খসরু, হায়দার জাহান চৌধুরী , গোলাম এরশাদুর রহমান, আলাউদ্দিন খান, গাজী দেলওয়ার হোসেন, বাদল মজুমদার ও আবদুর রহীম প্রমুখ ছাত্রনেতা।
মেহের আলী “একুশে পদক” প্রাপ্ত সাহিত্যিক এবং বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ভাষা সৈনিক জনাব সানাউল্লাহ নূরীর বাসায় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন ৷ মেহের আলী রাজনীতি,সাহিত্য ও সংস্কৃতির তালিম নিয়েছেন তৎকালীন মুসলমিলীগ ছাত্রলীগের সভাপতি নেত্রকোণা জেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী সাবেক এম.পি আব্দুল খালেক সাহেব ও জনাব সানাউল্লাহ নূরীর কাছ থেকে। জনাব আব্দুল খালেক সাহেব দীর্ঘ ১০/১২ বছর মেহের আলীদের বাড়ীতে ছিলেন এবং সরকারী আন্জুমান স্কুল ও নেত্রকোনা সরকারী কলেজে পড়াশোনা করেছেন। এখান থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতি হতে দলীয় রাজনীতির নেতৃত্বে উঠে আসেন। এ বাড়ী থেকেই নেত্রকোনা তেভাগা আন্দোলন ও ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ত দিয়েছেন তমদ্দুন মজলিসের নেত্রকোনা শাখার সভাপতি ভাষা সৈনিক সাংবাদিক জনাব সানাউল্লাহ নূরী। । এই বাড়ীতে তিনি ৮-১০ বছর ছিলেন। তিনি সরকারী আন্জুমান স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। জনাব নূরী ভাষা আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন । তার নাম জাতির ইতিহাসে স্বর্নাক্ষরে লিখা আছে।
নেত্রকোণা মুসলিমলীগ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক, আওয়ামীলীগের দীর্ঘ সময়ের সভাপতি সাবেক এম.পি জনাব ফজলুর রহমান খানসহ বিরোধী দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এ বাড়ী থেকে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। ভাষা সংগ্রামের জন্যে রাষ্ট্রিকিট হওয়া তৃতীয় বাংগালী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ভাষা সৈনিক আজিম উদ্দীন আহমেদও দীর্ঘ ২১/২২ বছর (১৯৪৭-১৯৬৯ র্পযন্ত) এই বাড়ীতে ছিলেন । এরপর তিনি জারিয়ায় চলে যান এবং জারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। ঐ বাড়ীটি তখন নেত্রকোণা জেলার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছিল। জনাব নূরী ও সাবেক এমপি আব্দুল খালেক তারা দুজনে মিলে মেহের আলীকে যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে গড়ে তুলেন। ছোটবেলা থেকেই মেহের আলী মেধাবী ছাত্র বলে পরিচিত ছিলেন। তাঁর ছিলো সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণ। মেহের আলী ঐ সকল বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিকট রাজনৈতিক তালিম নিয়েছেন। জ্ঞান নিয়েছেন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, স্বাধীকার ও ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা সমসাময়িক অন্যান্যদের চেয়ে বাংগালীর স্বাধীকার ও রাজনীতির বিষয়ে একটু বেশিই সচেতন ছিলেন তিনি। তাই স্কুলে পড়া অবস্থায়ই স্বাধীকার আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। দত্ত উচচ বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে মেহের আলী তমদ্দুন মজলিসের নেত্রকোনা শাখার সভাপতি জনাব নূরী, সাবেক এম.পি আব্দুল খালেক ও আজিম উদ্দীন আহমেদর সাথে বাংলা ভাষার দাবীতে বিভিন্ন মিছিলে
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরীর প্রবন্ধসমূহ:
কথাশিল্পী খালেকদাদ চৌধুরীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক
নেত্রকোনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মারক
নেত্রকোনায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শিশু সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন তালুকদার
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাদিস উদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীঃ বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ইনস্টিটিউট, অস্ট্রেলিয়া
শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
নেত্রকোণার শহীদ মিনারের ইতিকথা
মহেষখলা ক্যাম্প, ট্রাইবুনালের বিচারপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খালেকদাদ চৌধুরী
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: শামছুজ্জোহা
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফ আলী খান খসরুশহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস পর্ব-১
